| |

মুক্তাগাছায় ১৬ গরু চুরি খামারে সব আছে, নেই শুধু গরু

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
গরুর খামারে সব আছে। চাড়ি, খইল, খড়, ভূষিসহ গরু রাখার সব সরঞ্জাম। নেই শুধু খামারের গরু। খামারের প্রায় সবগুলো গরু দু’টি ট্রাকে উঠিয়ে নেয় ডাকাতরা। তারা দেশী ও বিদেশী জাতের ১৬টি ষাঁড় গরু নিয়ে গেছে। খামারের দুই প্রহরিকে বেঁধে গরুগুলো ট্রাকে তোলে নেয় ডাকাতদল। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে মুক্তাগাছার ডৌয়াখোলা গ্রামের আরব এগ্রো ফার্মে এ ঘটনাটি ঘটে। খামারটির মালিক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরব আলী। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কুমারগাতা ইউনিয়নের মালতিপুর সড়কের পাশে ডৌয়াখোলা গ্রামে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরব আলী তার মালিকানা জায়গায় আরব এেেগ্রা ফিড নামে গরুর খামার দেন। ওই খামারে হিন্দি জাতসহ দেশী বিদেশী মিলে ২৬টি ষাঁড় গরু পালন করে। খামার দেখাশুনার জন্য দুইজন প্রহরিও নিয়োগ দেওয়া হয়। সবগুলো গরুই বড়সর হয়ে ওঠে। খামার মালিকদের মতে গরুগুলোর দাম হবে ২০ লাখ টাকা। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি ডাকাতদল দুটি ট্রাক নিয়ে ওই খামারে হানা দেয়। প্রথমে খামারে থাকা দুই প্রহরি আব্দুর রশিদ ও রফিকুল ইসলামকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে। এর পর ডাকাতরা খামারে থাকা বড় বড় ১৬টি ষাঁড় গরু ট্রাকে ওঠিয়ে নেয়। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর এগ্রো ফার্মের মালিক বিষয়টি অবগত হন।
এগ্রো ফার্মের মালিক ও উপজলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরব আলী বলেন, ঘটনাটি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিক থানার ওসির মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করেন। এর পরও ঘন্টাখানেক পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। বিষয় তার কাছে অবাগ লেগেছে।
মুক্তাগাছা থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আশাকরি স্বল্প সময়ের মধ্যেই গরুগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হবে। সবখানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
রোববার দুপুর সাড়ে ৩ টায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শাহজাহান কবির ও ওসি ডিবি পুলিশ শাহ কামাল আকন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ফার্মের কর্মচারী ও এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শাহজাহান কবির সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত । তবে পুলিশের সব ধরণের চেষ্টা চলছে গরুগুলো উদ্ধারের।