| |

ভালুকায় শত্রুতা করে বড় ভাই কতৃক ছোট ভাইয়ের কলা বাগানের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা ভালুকা ময়মনসিংহ ৩০ সেপ্টেম্বর
ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের নিশিন্দা গ্রামে শত্রুতা করে বড় ভাই আলফাজ উদ্দিন তার ছেলে সাইদ ছোট ভাই শাহজাহানের ছড়িধরা প্রায় একশত সবরি কলা গাছ কেটে ফেলে দিয়ার পর মঙ্গলবার (২৯সেপ্টেম্বর) গ্রাম সালিশে কোনো ফয়সালা হয়নি। এ ঘটনায় থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সুত্রে জানাযায়,নিশিন্দা গ্রামের মৃত আক্তর আলী ছেলে শাহজাহান মিয়া কতক জমিতে শতাধিক সবরি কলার গাছ রোপন করেন। গত শনিবার(২৬সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার সময় শাহজাহানের বড় ভাই আলফাজ উদ্দিন, তার স্ত্রী আমিনা খাতুন ও তাঁর ছেলে সাইদ মিয়া প্রায় একশত ছড়ি ধরা কলাগাছ,আম গাছ,আকাশমনিসহ ফলজ গাছ কেটে মাটিতে বিছিয়ে ফেলে দেয়। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসা আশ^াস দিয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গ্রাম্য সালিশে বসেন। সালিশে কলাগাছ কাটার কোনো বিচার না করে জমির হিসাব নিয়ে সময় ক্ষেপন করা হয়। শাহজাহানে পক্ষ থেকে বারবার তার কলাগাছ কেটে ফেলার বিচার দাবী সালিশে বিষয়টি উত্থাপন করলেও ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম তরফদার বিষয়টি আমলে না নিয়ে পূনঃরায় সালিশের তারিখ ধার্য করেন।
বিগত ৫বছর যাবত আলফাজ ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় শাহজাহানকে হয়রানী করে আসছে। এ সব ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গত২৩/০৪/২০০৫ইং তারিখ শাহজাহান ভালুকা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
শাহজাহান জানান,আমি আমার বাবা কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমিতে কলা,আম,আকাশমনিসহ ফলজগাছ রোপন করেছি। আমার ভাই,ভাবি ও ভাতিজা ঘটনার দিন বিকাল বেলা পরিকল্পিত ভাবে ফলধরা কলাগাছ গুলো কেটে মাটিতে বিছিয়ে ফেলেছে। সালিশে কলা গাছ কাটার বিচার না করে জমির ভাগ ভাটোরা নিয়ে আলোচনা করে সালিশ মুলতবি করা হয়। সালিশে আমার কথার কোনো গুরুত্বই দেয়া হয়নি।
সাইদ জানান, আমার চাচা প্রতারণা করে ১০৪বছর বয়সী আমার দাদা কাছ থেকে প্রায় একর জমি দলিল করে নিয়ে যায়। সাইদ স্বীকার করেন আমি তিনটি কলাগাছ কেটে ফেলেছি।
ভালুকা মডেল থানার এস,আই আব্দুল লতিফ জানান, ৯৯৯ থেকে ফোন পাওয়ার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম। সরেজমিনে গিয়ে দেখি অনেক গুলো কাটা কলাগাছ পড়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে,শাহজাহানের ভাই ভাতিজারা কলা গাছ গুলো কেটেছে।