| |

জামালপুর জেলায় এবার ২১০ টি পূজা উৎযাপিত হতে যাচ্ছে

জামালপুর প্রতিনিধি॥ক’দিন বাকী আছে বাঙ্গালী সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গা উৎসব। এই দুর্গাপুজার আগমনকে ঘিরে দুর্গা প্রতিমা তৈরিতে এখন ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন জামালপুর জেলা শহরসহ ৭টি উপজেলার প্রতিমা তৈরির কারিগররা। কারিগরদের নিপুন হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এক একটি অসাধারণ মনোমুগ্ধকর অনিন্দ্য সুন্দর দুর্গা দেবীর প্রতিমা। এবার প্রাণঘাতি মহামারি করোনাকে উপেক্ষা করে হলেও লোক সমাগম থেকে বিরত রেখে জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলায় মোট ২১০টি পূজা উৎযাপিত হতে যাচ্ছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পূজা উৎযাপন কমিটি।
এবার জেলা শহরের প্রায় সাড়ে তিনশত বছরের প্রচীনতম দয়াময়ী মন্দিরের প্রতিমা তৈরির কারিগর নিয়ে এসেছেন ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে আগত লিটন চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, এবার করোনা ভাইরাস ও সময় কম থাকার কারনে বেশি প্রতিমা তৈরির আর্ডার নেইনি। গত বছর নিয়ে ছিলাম ১৫ টি প্রতিমা তৈরির কাজ। এ বছর শুধু ১২ টি প্রতিমা তৈরির আর্ডার নিয়েছি।
জামালপুর জেলা শহরের রাধামোহন জিও মন্দিরের প্রতিমা তৈরীর কারিগর স্মরন চন্দ্র পাল, দুর্গাবাড়ী পুজা মন্দিরের কারিগর কালিদাস আচার্য্য, শহরের বসাকপাড়া মন্দিরের কারিগর হৃদয় সূত্রধর তারা জানায়, একটি প্রতিমা তৈরি করতে কারিগরদের সর্বনিন্ম ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। পূজা মন্ডপেই তৈরী করেছে প্রতিমা তৈরির কাজ।
জামালপুর শহরের দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন চন্দ্র ভট্টাচার্য জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজা আগামী ২২ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে এবং ২৬ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে।
জামালপুর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাবু প্রদীপ কুমার সোম ও সাধারণ সম্পাদক চির কুমার সিদ্ধার্থ শংকর রায় বলেন, এবার পূজোয় অবশ্যই স্বাস্থ্য বিধি মেনে ভক্তদের মুখে মাস্ক পড়ে এমনকি সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিমা দর্শন করতে হবে। সারা জেলায় মোট ২১০ টি পূজা মন্ডপে দেবী দূর্গার পূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এ জেলায় মোট ২০৬ টি পুজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর আরো ৪ টি পুজা বেড়ে ২১০ টি পুজা অনুষ্ঠিত হবে।