| |

বাজিতপুরে সাড়ে ৩ বৎসর পর সাচ্চু হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই ॥ দুই আসামী গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার চাঞ্চল্যকর ওমর চান উরফে সাচ্চু হত্যা মামলার রহস্য সাড়ে ৩ বছর পর উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নান্টু মিয়া (২৮) ও আল আমিন (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের হাজী আব্দুল জব্বারের ছেলে ওমর চান উরফে সাচ্চু মিয়াকে গত ২০১৭ ইং সনের ২৭ জুন রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ২ লাখ টাকার চুক্তিতে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে নিহত সাচ্চু মিয়ার বড় ভাই জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় ২০১৭ সনের ২৮ জুন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তৎকালীন বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নিজেই মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে আব্দুল হেলিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। আব্দুল হেলিম বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। এদিকে দীর্ঘ ২ বৎসরের মধ্যে ৭ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত করলেও মামলার রহস্য উদঘাটন করতে পারেননি। অবশেষে চলতি বছরের ২৩ মে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে কিশোরগঞ্জ পিবিআই-এর কাছে মামলাটি হস্তান্তর করা হয়। পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান মামলাটি দীর্ঘ ১ বৎসরের অধিক সময় তদন্ত করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ২১ অক্টোবর বাজিতপুর উপজেলার দড়িঘাগটিয়া গ্রামের মৃত খুর্শেদ মিয়ার ছেলে নান্টু মিয়াকে (২৮) গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত নান্টু মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একই গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে আল-আমিনকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন পিপিএম জানান, চাঞ্চল্যকার সাচ্চু হত্যার রহস্য উদঘাটন করে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও তদন্তাধীন জেলার গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য মামলাগুলোর রহস্য উদঘটনে তৎপর রয়েছে পিবিআই।