| |

গফরগাঁওয়ে পুলিশ সদস্যর হাতে আওয়ামীলীগ নেতা খুন

গফরগাঁও প্রতিনিধি ঃ গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আমির হোসেনের উপস্থিতিতে তার ছেলে রেলওয়ে পুলিশ সদস্য জাকির হোসেন উজ্জল তারই চাচাতো ভাই ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সুজন (৫২) কে তুচ্ছ ঘটনায় কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে। আহত সুজন ৭দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত সোমবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। আজ বুধবার সকালে নিহতের জানাযা নামাজ লংগাইর জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আমির হোসেন ও তার ছেলে জাকির হোসেন উজ্জলকে আসামী করে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল ইসলাম মানিক জানায়, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমির হোসেন এর উপস্থিতিতে তার নির্দেশে তার ছেলে জাকির হোসেন উজ্জল পুকুর পাড়ে পিছন দিক থেকে কোদাল দিয়ে আমার ভাইকে নির্মম ভাবে মাথায় কুপিয়ে স্ত্রী, সন্তানদের সামনে আহত করে। ৭দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে আমার ভাই মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বোনের গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জের ধরে পুলিশ সদস্য উজ্জল পিছন দিক থেকে সুজনকে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে। পরে তার আত্মীয় স্বজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রায় ৭দিন চিকিৎসার পর গত সোমবার রাতে সুজন মারা যায়। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার লংগাইর গ্রামে। লোমহর্ষক এ ঘটনায় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংঘঠনের নেতাকর্মীরা নিন্দা প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তি দাবী করেন। নিহত সুজনের স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়ে রয়েছে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার লোকজন নিহতের বাড়িতে ভিড় জমায়।
নিহত সুজনের পরিবারের লোকজন সস্ত্রাসী পুলিশ সদস্য উজ্জলকে গ্রেফতারের দাবী জানায়।