| |

দুর্গাপুরকে একটি আধুনিকায়ন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে-বিভাগীয় কমিশনার বিভাগীয় কমিশনার

মোঃ মোহন মিয়া প্রতিনিধি : নেত্রকোণার সুসং মহারাজার স্মৃতি বিজরিত ও নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী অধ্যূষিত দুর্গাপুর উপজেলাকে আধুনিকায়ন ও উন্নতমানের একটি পর্যটক কেন্দ্র গড়তে বর্তমান সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সচেষ্ট। দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও প্রিন্টমিয়িার সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভাগীয় কমিশনার জি.এম. সালেহ উদ্দিন একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, নেত্রকোণার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে একটি সুন্দর পরিবেশময় নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীত অধ্যূষিত ও সুসং মহারাজার স্মৃতি বিজরিত এখানে একটি পর্যটক নগরী প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ড. তরুন কান্তি শিকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আনোয়ার হোসেন আকন্দ-সহ একটি পরিদর্শন টিম স্বচক্ষে দেখার জন্য উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনার্থী স্থানগুলি পরিদর্শন করেন। পরে এক মতবিনিময় সভায় উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইসমত উল্লাহ’র সভাপতিত্বে সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক, পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, পৌর আ’লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আলাউদ্দিন আল আজাদ। উল্লেখ্য ভারতের মেঘালয়কন্যা সুমেশ্বরী নদীর পাদদেশে দুর্গাপুর উপজেলা। সুসং মহারাজার রাজ্য শাসন হওয়ায় এখানে রয়েছে রাজার কৃতিবিজরিত রাজবাড়ী, মধ্যমবাড়ি, দু’আনা বাড়ি, কমলারানীর দিঘি, দশভূজা মন্দির, মহারাজার পারিবারিক বাসস্থান। রয়েছে সারিসারি উঁচু-নীচু বহু কালো পাহাড়। বিজয়পুরের মূল্যবান সাদাসোনা (সাদামাটি), কালোসোনা (কালো ঘিলেন পাথর)। মহারাজা সোমনাথ পাঠকের নামে পাশেই রয়ছে মূল্যবান সম্পদে ভরপুর মোটা বালু, সিলিকেন বালু ও নুড়ি পাথর। বিজয়পুর সীমান্তে উচু পাহাড়ে রানীখং ক্যাথলিক মিশন, টিলা ও সমতলে নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর বাসস্থান। যা এখানে আসলে মন কেড়ে না নেয় কার। বিরিশিরিতে রয়েছে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সুন্দর ও অত্যাধুনিক মনোরম পরিবেশে আদিবাসীদের সংস্কৃতিকে লালন করতে একটি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান। বর্তমান জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহকে বিভাগ ঘোষনা করার পর এই সর্বপ্রথম বিভাগীয় কমিশনারের এখানে আগমনে দুর্গাপুরবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে।