| |

ইসলামপুরে তথ্য গোপন করে দন্ডিত আসামীর কাউন্সিলর নির্বাচিত

ইসলামপুর জামালপুর প্রতিনিধি ঃ ইসলামপুর পৌরসভা নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপন করে দন্ডিত আসামী বিরুদ্ধে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানাযায়, ইসলামপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাধারন কাউন্সিলর পদে মোঃ আঃ রশিদ মেম্বার নির্বাচন করে এবার জয় লাভ করেছেন। নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার জন্য মনোনয়ন পত্র সাথে সংযুক্ত হলফ নামা অবশ্যই যথাযথ ভাবে দাখিল করতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং দন্ডীত তথ্যাদি স্পষ্ট ও সঠিক ভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতা মূলক। অন্যথায় বাছাই পর্বে অবৈধ বলে ঘোষিত হয়। অথচ আঃ রশিদ মেম্বার ২০১৫সালে পৌরসভা নির্বাচনে হলফ নামায় দন্ডীত আসামী হয়ে মামলার কথা অস্বীকার করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে বাছাই পর্বে বৈধতার সনদ অর্জন করে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছেন। জানাযায়,বিগত দিনে তিনি ইসলামপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। ইউপি সদস্য থাকা অবস্থ্যায় সদর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে কাবিখা প্রকল্পে গম আত্বস্বাতের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুর জেলা দায়রা জজ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে জামালপুর জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী ছিলেন। পরে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে আপিলে খালাস পান। এই তথ্য গত ২০১০ সালের পৌরসভার নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার জন্য ১৪.১০.১০ তারিখে দাখিল করা হলফ নামাতে পূঙ্খানু ভাবে উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি গত ৩০নবেম্বর ২০১৫ নির্বাচনে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে যে হলফনামা দাখিল করেছেন তাতে তার দন্ডিত তথ্য অস্বীকার করে গেছেন। তিনি হলফ নামায় উল্লেখ করেছেন অতীতে তিনি কোন ফৌজদারী মামলায় দন্ডিত হন নাই। এমনকি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা কোন আদালতে গ্রহীত হয়েছিল কিনা তাও তিনি অস্বীকার করে গেছেন। উল্লেখ্য যে,হলফ নামায় প্রদত্ত তথ্যাবলি বিভাগে ৩ প্যারাতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে দন্ডিত হয়ে থাকলে তা উল্লেখ না করার বিষয় প্রমাণিত হলে মনোনয়ন পত্র গ্রহন যোগ্য হবেনা। এ ব্যাপারে উপজেলা রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকছুদ চৌধুরী সাহেবের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, নির্বাচনের এতটা দিন চলে গেল নির্বাচন চলাকালিন সময়ে কোন অভিযোগ পাইনি। এখন একটা অভিযোগ পেয়েছি।