| |

দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর— গফরগাঁওয়ে নির্মানাধীন ড্রাম চিমনীর অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

গফরগাঁও প্রতিনিধি ঃ দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার চামুর্থা গ্রামে অবৈধ, অনুমোদনহীন ড্রাম চিমনীর এমবিবি নামক একটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অদিদপ্তর। শুক্রবার বিকালে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক ফরিদ আহমদের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি টিম এ অভিযান চালায়। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মিহির লাল সরকার উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এমএমবি ইটভাটার মালিক হাবিবুল্লাহকে অবিলম্বে এই অবৈধ ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধের মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়। ড্রামচিমনীর এই ইটভাটা চালু করা হলে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ইটভাটার মালিক হাবিবুল্লাহকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের চামুর্থা গ্রামে একই গ্রামের হাবিবুল্লাহ. নুরুল্লাহ, শহিদুল্লাহ, আসাদুল্লাহ, পারভেজ মিয়া, জামান মিয়া, আমান মীর, আসাদ মীর, এরশাদ মীর অন্যের জমি ও সরকারি হালট দখল করে অবৈধ, অনুমোদনহীন ড্রাম চিমনীর ইটভাটা স্থাপনের শুরু করে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার তললী গ্রামের আব্দুল্লাহ হাছান ও আমানউল্লাহ বাদী হয়ে উপজেলার চামুর্থা গ্রামের হাবিবুল্লাহসহ ৯জনকে বিবাদী করে মযমনসিংহ জেলা আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (গফরগাঁও) মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ওইদিনই নালিশকৃত ভূমিতে স্থিতিবস্থা বজায় রেখে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন । হাবিবুল্লাহ গং আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১ নভেম্বর তারিখ থেকে নালিশকৃত ভূমিতে ড্রাম চিমনীর অবৈধ ইটভাটা চালু করার সকল প্রস্ততি ও কাজ শুরু করে। বাদী পক্ষ বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতকে অবগত করলে বিজ্ঞ আদালত গত ৩ নভেম্বর তারিখে পাগলা থানার ওসিকে স্থিতিবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দেন। হাবিবুল্লাহ গং আদালতের আদেশ তোয়াক্কা না করে এই অবৈধ ইটভাটা চালুর কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। অজ্ঞাত কারনে পাগলা থানা পুলিশও এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। গত ৯ নভেম্বর দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক ফরিদ আহমেদ বলেন, বিভিন্ন গনমাধ্যমে এই ইটভাটা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেই। তিনি আরও বলেন, অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি চলমান প্রক্রিয়া । এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।