| |

ময়মনসিংহ সদর উত্তর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন মেয়র টিটু– প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার

স্টাফ রিপোর্টা ঃ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমরা যারা সমবায়ের সাথে সম্পৃক্ত আছি, তাদের অনেক বাধা বিপত্তি আসলেও মেহনতী মানুষের কল্যাণের জন্য সমবায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু মানুষের ন্যায্য আদায়ের জন্য চেষ্ঠা করেছিলেন, আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য উদ্দেশ্য তা আমরা সঠিক ভাবে বাস্তবায়নের এবং প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে স্ব-নির্ভর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বঙ্গবন্ধু ১টি দুর্ভল ভিত্তির উপর দাড়িয়ে প্রান্তিক পর্যায়ের চাষীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছিলেন। পাশাপাশি তাদের পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন গঠিয়েছেন। তিনি বিভিন্নভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে তাদেরকে সমবায়ী করেছেন। আজ আমরা যারা সমবায়ী রয়েছি তাদেরকে কেন্দ্রীয় ভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা দরকার, দক্ষ সমবায়ী হলে তাড়াতারি স্বাভলম্বী হওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করি। সমবায় ব্যাংক লিঃ তাদের উদ্যেশ্য হলো কৃষি, বনায়ন, মৎস্য শিকার এবং কুটির শিল্পে নিয়োজিত সমবায়ী সদস্যদের অর্থ যোগান দেওয়া। গতকাল ২১ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় ময়মনসিংহ নগরীর ৫নং মহারাজা রোডস্থ ময়মনসিংহ সদর উত্তর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিঃ এর নয়তলা ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও স্থানীয় সমবায়ীগনের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এসব কথা বলেন।
প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমবায় অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও নিবন্ধক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আমিনুল ইসলাম। ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক মোঃ মশিউর রহমানের সভাপেিত্ব অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মোঃ দুলাল মিয়া, আবুল হোসেন, হারুন অর রশিদ। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক সমবায় ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ, মোঃ রবিন ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শীতল সরকার, মোঃ কামরুজ্জামান, সমবায়ের সকল কর্মকর্তা, সমবায় ব্যাংক এর সদস্যগণ এবং স্থানীয় তেৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের জনগণ ও সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ময়মনসিংহ সদর উত্তর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিঃ এর সভাপতি ও সমন্বয়ক এইচ.এম খায়রুল বাসার। অনুষ্ঠান শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাসানুজ্জামান ও গীতা পাঠ করেন অজয় গোস্বামী।