| |

ব্রহ্মপুত্র নদের চরে মন্দিরের জমি থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে আনু মড়ল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ময়মনসিংহের বুক বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের চরে মন্দিরের সম্পত্ত্বি থেকে বেআইনীভাবে ড্রেজার ও এসকেলটরযোগে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে চর কালীবাড়ীর আনু মড়ল। এতে জমির শ্রেণী পরিবর্তনসহ মাত্রারিক্ত গর্ত সৃষ্টি করে ভোগ দখলের অনুপয়োগী করে তোলার চেষ্ঠা চলছে। পাশাপাশি ভুমি সংলগ্ন শম্ভুগঞ্জ বিদ্যুৎ পাওয়ার ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে শ্রীশ্রী রঘুনাথ জিউর আখড়া মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ বালু ও মাটি উত্তোলনে বাধা প্রদানসহ ভ’মি জবর দখলে বাধা দিলেও চক্রটি প্রভাব বিস্তার করে তা অব্যাহত রেখেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে মন্দির কমিটি গত বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেছেন। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদঘেষা চরঈশ্বরদিয়া মৌজায় ৫৮২ খতিয়ানে ১২৫৩, ১২৫৭, ১২৪১, ১২২৯, ১২১০, ১২১৩, ১২২০, ১২২৪ ও ১২২৫ দাগে বিপুল পরিমান ভুমি শ্রীশ্রী রঘুনাথ জিউর মন্দিরের নামে ১৯৩১ সনে দলিল মুলে প্রাপ্ত হয়ে ভোগ দখলে রয়েছে। গত কিছু দিন ধরে নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রয় চক্রের অন্যতহোতা আনু মড়ল উল্লেখিত জমি থেকে ড্রেজার ও এসকেলটর বসিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলন করে ট্রাকযোগে বেআইনীভাবে বিক্রি করে আসছে। আনু মড়ল এ সময় উল্লেখিত ভ’মির বেশ কতক স্থানে ২০/২৫ ফুট নীচ পর্যন্ত গর্ত করে মাটি উত্তোলন করে জমির শ্রেণীর পরিবর্তন করে ব্যবহার অনুপযোগী করে তুলে। শম্ভুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র (পাওয়ার স্টেশন) সীমানা সংলগ্ন এলাকায় উল্লেখিত ভ’মি হওয়ায় এবং অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করায় পাওয়ার স্টেশনটিও হুমকির মুখে পড়ছে। এ নিয়ে গত ২ জানুয়ারী মন্দির কমিটি তাদের উল্লেখিত ভুমিতে গিয়ে আনু মড়লকে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধের দাবী করলে আনু মড়ল তাদের উপর মারাত্বকভাবে ক্ষিপ্তসহ উল্লেখিত ভুমি বেদখলেও হুমকি দেন। নিরূপায় হয়ে অবশেষে মন্দির কমিটি জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেন।