| |

স্বৈরাচাররা তৃণমূলে গণতন্ত্র চায়নি আজকে তৃণমূলে দলীয়ভাবে ভোটের ব্যবস্থা হয়েছে মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

নজরুল ইসলাম খায়রুল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: স্বৈরাচাররা ১৯৫৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তৃণমূলে গণতন্ত্র চায়নি, আজকে তৃণমূলে দলীয়ভাবে ভোটের ব্যবস্থা হয়েছে। পৌরসভার নির্বাচন হয়েছে ভোটে আওয়ামী লীগ হারেনি। গতকাল বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত জেলা, কিশোরগঞ্জ সদর পৌর আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরোও বলেন, ভোটের রাজনীতি বিজয়ী হয়েছে, কোন ভোট ডাকাতি হয়নি, জাল ভোট হয়নি। এ প্রসঙ্গে বাজিতপুর পৌর নির্বাচনে যা হয়েছে এমনটা না হলে আওয়ামী লীগ উচ্ছেদ হতো না। তারপরেও সব জায়গায় শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পারভেজ বিজয়ী হওয়ায় মধুর বিজয় হয়েছে বলে মন্ত্রী বক্তব্যে উল্লেখ করেন। মন্ত্রী আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, পৌর নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় দলের অনেকেই মনোনয়ন চাইবেন, সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া যাবে না। ইউনিয়ন ও উপজেলা এবং জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূলের মতামতে একজন সৎ ও নির্বাচনে বিজয়ী হবেন এমন প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে। সবাই কে একসাথে নিয়ে দলের জন্য কাজ করবেন। এভাবেই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচনে বিজয়ী হবেন। এতে আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশী খুশি হবেন। আমরাও সম্মানিত হবো। জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাজাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য দিলারা বেগম আছমা, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম.এ আফজল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পি.পি শাহ আজিজুল হক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী, নারী নেত্রী বিলকিছ বেগম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী আশরাফ, সদর ছাত্রলীগের সভাপতি রিফাত উদ্দিন আহমেদ বচন প্রমুখ। কর্মী সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগ, সদর আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন সহযোগী ও অংগ সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।