| |

মোহনগঞ্জে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ পুলিশের ৬৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি

মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে ট্রেনের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকেলে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ২ কাউন্সিলর সহ গুরুত্বর আহত ৯জনকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মোহনগঞ্জ রেল স্টেশন ও বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বিকেলের এ সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ শর্টগানের অন্তত ৬৫ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পরপরই নেত্রকোণা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মেজবাহ্ উদ্দিন আহম্মেদ জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে হাওর এক্সপ্রেসের ট্রেনের আসনে বসা নিয়ে নওহাল গ্রামের রকি ও টেংগাপাড়া গ্রামের পিয়াসের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে রকি তালুকদার (২৭) আহত হলে তাকে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিকেলে এর জেরে পৌর শহরের টেংগাপাড়া ও নওহাল এবং ১নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর ও পানুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে ওই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র¿ নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এসময় আহত সাইদুল হক (৩৫), হৃদয় (২৩), আঃ হান্নান (৫৮), হারুন অর রশিদ (৩৮) মোহনগঞ্জ হাসপাতালে নেয়া হলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহে রেফার করা হয়। ওই সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি নিক্ষেপ করে। এতে নওহাল গ্রামের বাসিন্দা পৌর কাউন্সিলর মজিদ মিয়া, টেংগাপাড়ার বাসিন্দা সাবেক কাউন্সিলর হীরা মিয়া, টেংগাপাড়ার ইমরান ও নওহালের রিপন মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও বিরামপুর ও পানুর গ্রামের আহতরা অন্যত্র প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। মোহনগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মেজবাহ্ উদ্দিন আহম্মেদ গুলি ছুড়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।