| |

সরকারী নির্দেশের তোয়াক্কা না করে কে,বি হাই স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বর্ধিত বেতন ও ফি আদায়ের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সরকারী এমপিও ভুক্ত হওয়া সত্বেও শিক্ষামন্ত্রনালয়ের সর্বশেষ সার্কুলারের (১৭/০১/২০১৬ ইং) তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত কে.বি হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সকল প্রকার ফি অধিক হারে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্ধিত বেতন ও ফি আদায় বন্ধের নির্দেশ জারীর পরেও কে.বি হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণী হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী প্রত্যেকের কাছ থেকে টিউশন বা, উন্নয়ন ফি, বেতন, বার্ষিক চাঁদা, মেরামত ও সংরক্ষন ফি, ভর্তি/টিসি ফি, ডোনেশন, ল্যাবঃ ফি, বোর্ড ফি, সিলেবাস, রেজিঃ ফি, আই.ডি ও ব্যাজ ফি, ফেয়ারওয়েল ফি, বিবিধ সহ সকল প্রকার ফি বর্ধিত হারে আদায় করে নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে প্রকাশ। ভুক্তভোগী ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে জানাযায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকেই আদায় করা হয়েছে ৪ হাজার ৮ শতাধিক টাকা। স্কুলটিতে নতুন ভর্তি বা পুরাতন সকলের কাছ থেকেই উন্নয়ন ফি নামেই ৪ হাজার ৮শ’ টাকা হতে ৫ হাজার ৫শ’ টাকা করে আদায় করছেন। নতুন ভর্তি প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অংকের ডোনেশন আদায় করা ছাড়াও স্কুলটিতে পুরাতন অর্থাৎ এক শ্রেনী থেকে অপর শ্রেনীতে উত্তীর্ণদের কাছ থেকেও ডোনেশন আদায় করে নিচ্ছেন। অর্থাৎ সকলকেই বছর-বছর ডোনেশন দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তাছাড়া স্কুলটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের কাছ থেকে এক রকম হারে বেতন ফি আদায় করা হয়, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের সাধারন মানুষের সন্তানদের কাছ থেকে ভিন্ন (বর্ধিত) হারে বেতন-ফি আদায় করা হয়। এরূপ দ্বৈত ফি ধার্য ও আদায় নিয়ে অভিভাবকদের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয়ে গভর্নিং বডি দ্বারা পরিচালিত ও সরকারী এমপিও ভুক্ত কে.বি হাই স্কুলে এসব অনিয়ম দুর্নীতি ও পক্ষ পাতিত্বের অপসারন চায় ভুক্তভোগীরা সকলেই।