| |

জে এম বি’র জঙ্গী মেহিদী হাবিব দশ বছর পর গ্রেফতার

স্টাফ রিপোটারঃ র‌্যাব-১৪ ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানিক দল গতকাল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় ১২ টায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন বোর্ড বাজার বটতলা রোডের মাসুদুর রহমানের ৩ নং বাড়ির (কলমেশ্বর হাজী মতিউর এর বাড়ি) ভাড়াকৃত প্রথম কক্ষ থেকে জামায়াতে মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জে এম বি)’র পলাতক সদস্য মেহিদী হাবিব মোঃ রফিক (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে বেশ কয়েকটি মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ফেরার এই জঙ্গী মেহিদী হাবিব মোঃ রফিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ ময়দান সংলগ্ন র‌্যাব-১৪ এর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিং -এ র‌্যাব-১৪ এর সিও লেঃ কর্নেল এনামুল আরিফ সুমন সকল অভিযানের কথা বলেন। প্রেস ব্রিফিং -এ তিনি আরো জানান, ধৃত জে এম বি সদস্য মেহিদী হাবিব রফিক জামালপুর জেলার, জামালপুর থানাধীন ইকবালপপুর গ্রামের সরকার বাড়ির মোঃ কফিল উদ্দিনের পুত্র। সে জে এম বি’র তৎকালীন লীডার শায়খ আব্দুর  রহমান ও সেকেন্ডইন কমান্ড সিত্তিকুল ইসলাম কমল ওরফে বাংলাভাই গ্র“পের অতান্ত সক্রিয় সহযোগী সদস্য ছিলেন। সে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ নিরীহ মানুষদের জে এম বি’ তে যোগ  দানের জন্য আমন্ত্রন দিতো। বিগত ২০০৫ ইং সালের ১৭ আগস্ট ময়মনসিংহ জজকোটের বারান্দার সামনে ও জেলা বারের সিড়িতে বোমা বিস্ফোরন ঘটানোর মামলায় সে ৩ নং আসামী একই তারিখ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি সংলগ্ন ক্যান্টিনের পাশের কক্ষে বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে একজন ছাত্রকে গুরুতর আহত করায় মামলায় ২নং আসামী এবং ওই তারিখেই ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব কমপ্লেক্সের ২য় তলায় মার্কেটের হেকিম এন্ড সন্স মেমোরিয়াল ও সার্ভিস সেন্টারের ভেতরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ৩ জনকে গুরুতর আহত করার মামলায় ২নং আসামী। ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানায় দায়েরকৃত এসব মামলার নম্বর হচ্ছে-৪৭ তাং-১৭/০৮/০৫ইং, ৪৮ তাং-১৭/০৮/০৫ইং সি/এস নং-৬৯০(১২) তাং-৩০/১১/২০০৫ইং এবং ৪৯ তাং-১৭/০৮/০৫ইং সি/এস নং-৬৮৯ (১২) তাং-৩০/১১/২০০৫ইং। প্রতিটি মামলায় শায়খ রহমান ও বাংলা ভাই ১নং ও ২নং আসামী। প্রেস ব্রিফিং এ র‌্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার লে: কর্ণেল এনামুল আরিফ সুমন বলেন গ্রেফতারকৃত জঙ্গী মেহিদী হাবিব-এর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে আর জঙ্গী অন্যান্য পলাতকদের ব্যাপারে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজ ও অভিযান চালানোর কার্যক্রম দেশব্যাপী অব্যাহত থাকবে। দেশকে সম্পূর্ণভাবে জঙ্গী মুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান চলবেই।