| |

ঝিনাইগাতীতে শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই সেচ সংকট আসংকায় কৃষকরা

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় চলতি শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই বিদ্যুৎতের লোডশেডিংসহ নানা কারনে সেচ সংকট আসংকায় রয়েছে ২০ হাজার কৃষক। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতেই এ উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর উজানে অবৈধবাধ, মহারশি নদীর রাবার ড্যামের পানি ব্যবহারে পরিকল্পনার অভাবসহ নানা কারনে এ উপজেলার কৃষকরা সেচ সংকটের আসংকা করছেন। কৃষি সম্প্রষারণ অধিদপ্তর চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো রোপনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে। এ উপজেলায় মোট আবাদি জমির পরিমান ১৮ হাজার হেক্টর। সেচ সুবিধার অভাবে ৪ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি থাকে। সীমান্তবর্তী খাদ্যে উদ্বৃত্ত এ উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৩৮ হাজার। বোরোচাষের সাথে জড়িত কৃষকের সংখ্যা ২৫ হাজার। সোমেশ্বরী, মহারশি নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহার করে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়। বাকি জমিতে সেচ দিতে বিদ্যুৎ চালিত গভীর-অগভীর, এলএলপি, সাবমার্সেবল সেচ পাম্প ১ হাজার ৯৭টি নলকুপ রয়েছে। কৃষি সম্প্রষারণ অধিদপ্তর ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সোমেশ্বরী নদীর বালিজুড়ীতে অবৈধভাবে বাধ নির্মাণ করে নদীর গতিপথ বন্ধ করে দেয়ায় এবং সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে মহারশি নদীর রাবার ড্যামের পানি ব্যবহার করতে না পারায় মৌসুমের শুরুতেই সেচ সংকটে পড়েছে কৃষকরা। এছাড়া বিদ্যুৎতের লোডসেডিং চরম আকার ধারন করেছে। ফলে মৌসুমের শুরুতেই প্রয়োজনমত সেচ পাম্প চালাতে না পেরে কৃষকরা রয়েছেন বিপাকে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ কোরবান আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিদ্যুৎতের লোডসেডিং না থাকলে সেচ কেটে উঠা সম্ভব।