| |

ময়মনসিংহে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী কোন যুদ্ধাপরাধীর জানাযা প্রকাশ্যে করতে দেওয়া হবে না

রঞ্জন মজুম দার শিবু ঃ বেগম খালেদা জিয়া কে উদ্দেশ্য করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন ৭১ সালে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়নি এবং দেশে কোন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধও হয়নি বলে যে উক্তি তিনি করেছেন। কিন্তু, তিনিই ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে বিশেষ দিনে তার বক্তব্যে এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ ক্রোড় পত্রে ও তার বানীতে ৩০ লক্ষ শহীদের কথা উল্লেখ করেছেন। গতকাল শুক্রবার (৫ ফেব্র“য়ারী) সন্ধ্যায় থানা ঘাটস্থ এলাকায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নতুন ভবনের উদ্বোধনকালে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন কোন যুদ্ধাপরাধীর জানাজা প্রকাশ্যে করতে দেওয়া হবে না। মন্ত্রী বলেন বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০,০০০ টাকায় উন্নীত করেছেন। তাছাড়া প্রতি ঈদে বোনাস দেওয়ারও ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আগামীতে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের বিনা পয়সায় চিকিৎসার ব্যবস্থা ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একই ডিজাইনের কবর স্থান করা হবে যা দেখলে সবাই চিনতে পারে এটা মুক্তিযোদ্ধার কবর। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ধর্মমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, যুদ্ধ করে আমরা এ দেশটাকে স্বাধীন করেছি, দেশের জন্য সংগ্রাম করেছি, জেল খেটেছি কোন কিছু পাবার আশায় নয়। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের দেশের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব মাহমুদ হাসান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক চিশতী, গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম কামরুজ্জামান, সাবেক জেলা কমান্ডার নাজিম উদ্দিন আহমেদ, সেলিম সাজ্জাদ, আব্দুর রব, ডেপুটি কমান্ডার জিয়াউল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডার আনোয়ার হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিঃ পুলিশ সুপার নূরে আলম, সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন আহমেদ, ফজলুর রহমান, মমতাজ উদ্দিন, সদর উপজেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, সাবেক উপজেলা কমান্ডার সেলিম সরকার রবার্ট, কাউন্সিলর ফারুক হাসান সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ডেপুটি কমান্ডার হারুন-আল-রশিদ ও সহকারী ডেপুটি কমান্ডার কামাল পাশা।