| |

ভালুকা বন বিভাগের শতকোটি টাকার বনভূমি দখলঃ অবৈধ স্থাপনা নির্মান

ময়মনসিংহ জেলা সংবাদদাতা এএইচএম মোতালেবঃ ভালুকা বন বিভাগেরশতকোটি টাকার বনভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ময়মনসিংহ বনবিভাগ ভালুকায় শতকোটি টাকার সংরক্ষিত বনভূমি বনদস্যু কর্তৃক অবৈধভাবে দলিল সৃজন করে স্থাপনা নির্মান করলেও বনবিভাগের রহস্রজনক নিরবতার পালন করছে। ময়মনসিংহ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হবিরবাড়ী মৌজার বনভূমি তেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্চেদের নির্দেশ দিলেও ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তাগন উচ্ছেদ ও ভূমি উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। এ ঘটনাটি ঘটেছে গত২৪ফেব্র“যারী/২০১৬ সকালে। সরজমিনে কোজ নিযে জানা গেছে গত২৪ফেব্র“যারী ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ী মৌজার হবিরবাড়ী বাজার সংলগ্ন ১৫৪নং দাগের দু’শ একর বনভূমি ৫০/৬০জন এর একটি ভূমি দস্যুদল ৫/৬টি দোকান নির্মানসহ পেছনের বিশালখালী জায়গাটিতে রিংকালবার্ট নির্মান এর কারখানা স্থাপন করছে তাঁরা বনভূমি নিযন্ত্রন করছে। এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী, স্থানীয় বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক, রেঞ্জ কর্মকর্তা, বীট কর্মকর্তাগনকে অবহিত করলেও অদ্যবধি পর্যন্ত স্থাপনা উচ্ছেদের কোন পদক্ষেপ নেযনি। এ বিষয়ে একদর সাংবাদিক গন হবিরবাড়ী এলাকায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুয়ায়ী ময়মনসিংহ বনবিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন ভালুকা বনভিাগে ২৩হাজার একর বনভূমির মধ্যে ৮হাজার একর বনভূমি সংরক্ষিত থাকলেও বাকি ১৫হাজার একর বনভূমি বনবিভাগের কতিপয় কর্মকর্তা ও প্রভাবশালীদের যোগসাজসে বেহাত হয়ে েেগছে। এ বিষযে ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা গতকাল সন্ধ্যায়(২৬-২-২০১৬)তার কার্যালয়ের জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় তিনি বলেন ভালুকার বন উজারের ভিন্ন। নিম্নে তার উদাহরণ দিয়ে বলেন ২০০৪ সালে বনদস্যু শহীদুল ইসলাম শহীদ এর একশতাংশ ভূমি এ ভালুকায় ছিলনা। ২০১৫/২০১৬ সালে এসে তার ভূমির পরিমান দাড়িযেছে প্রায় ২/৩শত একরে। তিনি এখন শিল্প মালিক হয়েছেন। শহিদ এখন বনের জমি দখল করতে গিয়ে জন দস্যু , বন দস্যু, থেকে বাউন্ডারী শহিদ নামে খ্যাত। ভালুকা পৌর মেয়র ও আওয়ামীলীগ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক একেএম মেজবা উদ্দিন বলেন সরকারের শতশত কোটি টাকার সম্পদ বনবিভাগের অবহেলার কারনে ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে। ভালুকার সংরক্ষিত বনভূমি এখন বিরানভূমিতে পরিনত হয়েছে। বনবিভাগের সম্পত্তি উদ্বার করার জন্যে জরুরী হস্তক্ষেপ প্রযোজন সংশ্লিষ্ঠদের।আওযামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান ১৫৪ দাগে ২৯৪ একর জমিরমধ্যে ২০১একর বনভূমি বনবিবাগের রযেছে। জেলা প্রশাসকের ১নং খাস খতিয়ানের অর্š—ভূক্ত রয়েছে। এ সকল জমি তাদের দখলে নিয়ে রাতারাতি কাগজ তৈরী করে । এ কাগজের ভিত্তিতেই তারা বনের জমি দখল করে নিয়ে মালিকানা দাবী করছে। শতশত মামলা দায়ের করে।১৬জানুয়ারী/২০১৬ একটি আইওযাশ বীট কর্মকর্তা মামলা করলেও ২৪ফেব্র“য়ারী/২০১৬ আমতলী এলাকায় ভালুকা বনরেঞ্জ থেকে মাত্র অধর্ কিলোমিটার দুরে হবিরবাড়ী মৌজায় বনবিভাগের বনভূমি অবৈধবাবে বাউন্ডারী শহিদ দখল করে নেয়। সেখানে দোকানঘর ও রিংকালবার্ট নির্মান এর কারকানা তৈরী করলেও এখনও পর্যন্ত তা উচ্ছেদ না করার ফলে একরেপর এক দখর করে নিচ্ছে ভালুকার বনভূমি। একজন কৃষক জুযেল মিয়া জানান বাউন্ডারী শহিদ বিএনপি করার পরেও বর্তমান আওযামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও তার প্রভাবে মানুষ ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছে। তার বিরোদ্ধে কেই মামলা করতে সাহস পায়ন্ াঅন্যদিকে প্রশাসনের নিকট থেকে কোন ধরনের সহযোগিতায় পায়না তারা। ওয়ান এলিভেনের সময় অস্ত্রআইনে গ্রেফতার হলে াাবার জামিনে মুক্তি লাভ করে দাপটের সাথেই সে বনভূমি দখল করছে প্রতিনিয়ত তার বাহিনীর সদস্যরা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন বাউন্ডারী শহিদ জিরো থেকে হিরো , কিভাবে কোটিপতি হলেন এত টাকার উৎস কোথায় এ প্রশ্ন এবার ভালুকার জনগনের মূখে মূখে। বনবিভাগীয় সম্পত্তি ও পরিবেশ রক্ষায় পরিবেশবাদী সংগঠক ও সরকারের সংম্লিষ্ঠ দপ্তরের কর্মকর্তাগন দ্রুতপদক্ষেপ গ্রহনে এগিয়ে আসবেন এ প্রত্যাশা করছে ভালুকাবাসী।