| |

ময়মনসিংহে উদ্ধারকারি ট্রেনও লাইনচ্যূত

ময়মনসিংহে দুর্ঘটনার ১১ ঘণ্টা পর ট্রেন চালু হওয়ার পাঁচ ঘণ্টার মাথায় একই রেলপথে এবার উদ্ধারকারি ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হলে ময়মনসিংহ-ভৈরব, ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ-ঝাড়িয়া রেলপথে ১২ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। শনিবার ভোররাত পৌণে তিনটার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশনের অদুরে কৃষ্টপুরে উদ্ধারকারি ট্রেনটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ফলে একই রেলপথে দু’টি ট্রেন দুর্ঘটনার কারনে তিনটি রেলপথে শুক্রবার ১১ ঘণ্টা ও শনিবার ১২ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, শুক্রবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মোহনগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহগামি ২৬১ নং আপ ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুইটি বগি লাইনচ্যুত হলে ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধারকারি ট্রেন ঘটনাস্থলে যায়। উদ্ধার কাজ শেষে ফেরার সময় রাত পৌণে তিনটায় ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশনের অদুরে কৃষ্টপুরে উদ্ধাকারি ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর ময়মনসিংহ-ভৈরব, ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ-ঝারিয়া রেলপথে আবারো ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় রেলপথের বেশ য় হলেও কেউ হতাহত হয়নি। শনিবার দুপুর দুইটায় উদ্ধার কাজ শেষ হলে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়। দুর্ঘটনার কারনে আন্ত:নগর ট্রেনসহ চারটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়। শনিবার সকাল থেকে কয়েকটি ট্রেন বিভিন্ন রেলস্টেশনে আটকা পড়ে।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আরিফুুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার জন্য ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
উলেখ্য, শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টায় ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রেলপথের গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশনের আউটার সিগন্যাল সংলগ্ন লেভেলক্রসিংএ ২৬১ নং আপ যাত্রীবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দু’টি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটি মোহনগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহে আসছিল। দুর্ঘটনার পর ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ-ঝাড়িয়া রেলপথে ট্রেন চলাচল ১১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল।