| |

পাকিস্তানকে বিদায় করে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : জিতলেই ফাইনাল- এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে অলিখিত সেমিফাইনালে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। সুবর্ণ সুযোগটা হাতছাড়া করেনি মাশরাফির দল। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ হয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৯ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ৫ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। টস হেরে বল করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় দারুণ। ইনিংসের দ্বিতীয় আর নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই খুররম মনজুরকে (১) সাজঘরের পথ দেখান আল-আমিন হোসেন। বাংলাদেশি পেসারের লেংথ বল ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন খুররম। তবে বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে চলে যায় মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে। এ নিয়ে তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ওভারে উইকেট পেলেন আল-আমিন। আল-আমিনের পর প্রথমবারের একাদশে আসা বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানীও দেখালেন জাদু। তার পঞ্চম বলেই বোল্ড শারজিল খান (১০)। আরাফাতের মতো অধিনায়ক মাশরাফিও নিজের পঞ্চম বলেই ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ হাফিজকে। মাশরাফির বলে এলবিডব্লিউ হন হাফিজ (২)। আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ ইনিংসের ও নিজের প্রথম ওভারে ১ রান দেয়ার পর দ্বিতীয় ওভার নিয়েছিলেন মেডেন। তৃতীয় ওভারে এসে তিনিও উইকেট পাওয়ার আনন্দে মাতেন। তাসকিনের বল হাওয়ায় ভাসিয়ে মেরেছিলেন উমর আকমল। দীর্ঘক্ষণ হাওয়ায় ভেসে থাকা বলটি তালুবন্দি করেন ডিপ পয়েন্টে দাঁড়ানো সাকিব আল হাসান।
১৮ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছিল পাকিস্তান। তবে পঞ্চম উইকেটে সরফরাজ আহমেদ ও শোয়েব মালিক ৭০ রানের জুটি গড়ে দলকে অনেকটা এগিয়ে নেন। মালিককে (৪১) ফিরিয়ে এ জুটি ভাঙেন আরাফাত। পরের ওভারে আল-আমিনের বলে ডাক মেরে বিদায় নেন শহীদ আফ্রিদি। এক প্রান্ত আগলে রাখা সরফরাজের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায় পাকিস্তান। শেষ বলে আনোয়ার আলীকে সাব্বিরের ক্যাচে পরিণত করেন আল-আমিন। সরফরাজ ৪২ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে আল-আমিন ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন। ৩৫ রানে ২ উইকেট নেন আরাফাত সানী। পথম তিন ওভারে মাত্র ২ রান দেয়া তাসকিন ৪ ওভারে মোট ১৪ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। অধিনায়ক মাশরাফিও একটি উইকেট নেন ২৯ রানের বিনিময়ে।