| |

সখীপুর ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা এক বছর ধরে এক্স-রে সেবা থেকে বঞ্চিত

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী : টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় রোগীরা এক বছর ধরে এক্সরে সেবা থেকে বঞ্চিত আছেন। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সরকারি হাসাপাতালে গুরুত্বপূর্ণ এ সেবাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় স্থানীয় প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো রোগীদের কাছ থেকেও গলাকাটা ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে এক্সরে মেশিনটি অকেজো থাকায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেডিও গ্রাফার অলস বসে বসে সময় পাড় করছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সখীপুর উপজেলা কমপ্লেক্সের ৩০০-এমএ ক্ষমতা সম্পন্ন একমাত্র এক্স-রে মেশিনটিতে অকেজো হয়ে পড়ে। এক বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালে আসা রোগীরা এক্স-রে সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে নিরুপায় রোগীরা স্থানীয় প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে ৭০ টাকার এক্স-রে ৪৫০-৬০০ টাকা দিয়ে করাতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে সেবা না পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি কয়েকজন রোগী ও তাঁদের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত এক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সেবাটি বন্ধ থাকার পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই।’ এটি সংশ্লিষ্ট বিভাগের গাফিলতি ছাড়া আর কিছুই নয় বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেডিও গ্রাফার আমিরুল ইসলাম মোমেন জানান, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে এক্সরে মেশিনটিতে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে ঢাকা থেকে আসা ইলেকট্রো মেডিকেল প্রকৌশলী এক্স-রে মেশিনটিকে অকেজো ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ডি আই রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।