| |

কেন্দুয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে কুপানোর ঘটনায় থানায় মামলা

সৌমিন খেলন : নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের জল্লীগ্রামে বিচারক মুক্তিযোদ্ধা লতিফ আহমেদ খানকে (৬০) কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (৪ মার্চ) বিকেলের দিকে চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন বিচারক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী কাজী তাইয়েবা তাসনীম। মামলায় আসামীরা হলেন- বিচারকের ভাতিজা ফয়সাল আহমেদ খান, বড়ভাই লুৎফে আহমেদ খান ওয়াসীম এবং একই গ্রামের জুয়েল মিয়া ও মস্তো। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিরঞ্জন দেব স্বদেশ সংবাদে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এরআগে বৃহস্পতিবার সকালে বিচারক (লতিফ আহমেদ) কেন্দুয়ার জল্লীগ্রামে নিজ বাড়িতে আপন বড়ভাই ওয়াসীম’র ছেলে ফয়সাল’র রামদা’র কোপে আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে রাতে তাকে রাতেই ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। ঘটনার দিন দুপুরে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিচারক স্বদেশ সংবাদে অভিযোগ করেছিলেন, বড়ভাই লুৎফে আহমেদ খান ওয়াসীম’র ছেলে ফয়সাল রামদা দিয়ে কুপিয়ে তাকে জখম করেছেন। অপরদিকে বিচারকের স্ত্রী কাজী তাইয়েবা তাসনীম ঘটনার বিশ্লেষন দিতে গিয়ে স্বদেশ সংবাদে জানিয়েছিলেন, ফয়সাল সকালে হঠাৎ নিজের পুকুরের পাড় কাটার অভিযোগ এনে তার চাচাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ শুরু করেন। প্রতিত্তরে গালমন্দের প্রতিবাদ জানান বিচারক লতিফ আহমেদ। পরে একপর্যায়ে রামদা এনে বিচারককে হাত ও পায়ে কুপিয়ে জখম করে ফয়সাল। আর কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিরঞ্জন দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্বদেশ সংবাদে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। তাসনীম জানান, সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা লতিফ আহমেদ খান।