| |

ধোবাউড়ায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী চুরান্তকরণ এক আলোচনা সভা।

আবুল হাশেম : ধোবাউড়ায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী চুরান্তকরণ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ওসমানের বাসায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গামারীতলা ইউনিয়ন থেকে আগত ব্যাক্তিদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় গামারীতলা ইউনিয়নের পক্ষে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে আব্দুর রহমান বলেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে কোন শক্ত প্রার্থী নেই। তাই আমরা শওকত ওসমানকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। এসময় উপস্থিত লোকজন প্রস্তাবটি সর্মথন করে বলেন শওকত ওসমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে আওয়ামীলীগের বিজয় নিশ্চিত। ইতোমধ্যে গামারীতলা ইউনিয়নে বিভিন্ন মহলে শওকত ওসমানকে নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সাধারন ভোটারদের ধারনা শওকত ওসমান নির্বাচনে আসলে ওহেদ তালুকদারকে পরাজিত করা সম্ভব।বিগত কিছুদিন যাবৎ প্রায়ই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ওসমানের বাসায় গামারীতলা থেকে লোকজন এসে ভীড় করছেন। সকলে চাপ দিচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য। ইতোমধ্যে জনমত জরিপে উক্ত ইউনিয়নে ওহেদ তালুকদারের নাম উপরে রয়েছে। তবে ভোটারদের ধারনা শেষ পর্যন্ত শওকত ওসমান প্রার্থী হলে সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যাবে। ধোবাউড়ায় অনুষ্ঠিত আলাচনা সভার পর মোটামুটি বলা যাচ্ছে যে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যাচ্ছেন শওকত ওসমান। সেক্ষেত্রে তিনি আওয়ামীলীগের একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে দলীয় মনোনয়নের পাল্লা তার দিকেই ভারী থাকবে এটা স্বাভাবিক বিষয়।সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জামাল উদ্দিন মৃধা,মমতাজ মেম্বার,শাসুর রহমান,নজরুল ইসলাম,ফজলুল হক,মমতাজ মন্ডল,রফিকুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,বরকত ওসমান,আল আমিনসহ আরও অনেকে। শওকত ওসমান দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সাবেক ছাত্রলীগ থেকে যুবলীগ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড.আঃ মান্নান আকন্দসহ দলীয় নেতৃবৃন্দের সাথে রয়েছে সুসম্পর্ক। তিনি ১৯৮৬ সালে কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে এ.এস.সি পাশের পর সুসং ডিগ্রি কলেজের কমিটি গঠন করে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,১৯৮৯ সালে ধোবাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক,১৯৯৩ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে ছাত্ররাজনীতি জীবন শেষ করেন।পরে ২০০২ সালে প্রত্যক্ষ ভোটে গামারীতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রান ও পুর্ণবাসন সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০০৬ সালে দলের সংকটাপন্ন মুহুর্তে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুবলীগ কর্তৃক শওকত ওসমানকে ধোবাউড়া উপজেলা যুবলীগের আহব্বায়ক এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর পল্টন ময়দানে কেন্দ্রীয় যুবলীগের জনসভায় যুব মহিলা লীগের একহাজার কর্মীসহ ৩ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে যোগদান করলে জননেত্রী শেখ হাসিনা শওকত ওসমানের সাথে সাক্ষাৎ করে কথা বলেন এবং সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। যুবলীগের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি ধোবাউড়া উপজেলার ৬৩ টি ওয়ার্ডে সম্মেলন করতে সমর্থ হন এবং ২০১৩ সালে বর্তমান ধোবাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।