| |

টাঙ্গাইলে চলছে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী ঃ বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড বিজনেস সোসাইটি আয়োজনে টাঙ্গাইলে মাসব্যাপী চলছে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। মেলায় ছোট বড় এবার ৯০ টি স্টল রয়েছে। স্টলে মেয়েদের জন্য রয়েছে, শাড়ি, কসমেটিক্স, ব্যাগ, জুতা, জুয়েলারিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য রয়েছে, খেলনা, নাগরদোলা, ট্রেনগাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদন সামগ্রী। ছেলেদের জন্য রয়েছে, শার্ট, প্যান্ট, স্যুট, টি-শার্ট, জুতা ইত্যাদি।
এছাড়া বানিজ্য মেলাকে কেন্দ্র করে শহরের পৌর উদ্যোনে মটরসাইকেল ও গাড়ি খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
তাছাড়া রয়েছে খাবারের দোকান, ইলেকট্রনিক্স, মৃৎশিল্পসহ বিভিন্ন পণ্যের সমাহার।
তবে বিক্রির পরিমান কম এবং লোকসান হওয়ায় হতাশ বিক্রেতারা। এক দিকে বিক্রেতারা তাদের দোকারভাড়ার খরচের টাকা তুলতে পারছেন না। অন্যদিকে কর্মচারির প্রতিদিনের খরচ দেয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হলে তারা এই সব কখা বলেন।
এ বিষয়ে কথা হয় হয় রুপাই দোকানের মালিক রুবেল মিয়া সাথে । তিনি বলেন, বাণিজ্য মেলায় আমাদের লোকসান হচ্ছে। দোকানে ৫লাখ টাকা মাল তুলেছি । এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে। প্রতিদিন আমাদের খরচ হয় ১০ হাজার টাকার মত। প্রতিদিনের খরচের টাকাও আমরা উঠাতে পারছি না । এভাবে চলতে থাকলে আমার দোকান খরচ ও উঠবে না। মেলায় ক্রেতার পরিমান কম। কর্তপক্ষ ঠিক মত প্রচার-প্রচারণা করেনি । ঠিক মতো প্রচার প্রচারণা করলে লোকজন আসতো। তবে আশা করছি ১৫ দিনের পর থেকে মেলা জমে উঠবে। কথা হয় আশরাফুল নামে এক দোকান মালিকের সাথে তিনি বলেন, মেলার ক্রেতার পরিমান কম। তার মধ্যে বেশির ভাগই ছাত্র-ছাত্রী মেলা দেখতে আসে। অনেকেই মেলায় শুধু দেখতে আসে কিনেতে আসেন না। তিনি আরো বলেন, গত শুকুবার ১৩৬৫ টাকা, শনিবার ১৭৭০ টাকা, রোববার ৫২০ টাকা, সোমবার ১২১০ টাকা বিক্রি করেছি। প্রতিদিন আমাদের খরচ হয় প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। আমার দোকানের কর্মচারি খরচের টাকা দিতেও হিমশীম খেতে হচ্ছে। আয়ের থেকে আমাদের ব্যায় বেশী হয়। এভাবে চলতে থাকলে আমরাদের অনেক ক্ষতি হবে। চন্দ্রসূর্য দোকানের মালিক হযরত আলীর সাথে কখা হলে তিনি বলেন, আমার দোকানে বিক্রির পরিমান কম । বিক্রির পরিমান কম থাকায় লোকসান হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় দায়িত্বে থাকা জহির খানের সাথে। তিনি বলেন । আমাদের বাণিজ্য ও শিল্পমেলার উদ্যেশে হলো দেশীয় পন্য এবং কুটির শিল্পকে তুলে ধরা। এখানে দেশীয় পণ্য স্থান পেয়েছে। আমরা এই মেলা বিভিন্ন জেলায় করে থাকি। আমরা বিদেশেও বাণিজ্য মেলা করেছি। আমি আশা করছি মেলার প্রচুর পরিমানে লোকজন আসবে । লোকজন যদি আসে তা হলে অবশ্যই তাদের প্রছন্দের জিনিস কিনতে পারবে। তাছাড়া মেলায় কোন ধরনের সমস্যা হয়নি।