| |

ঝিনাইগাতীতে পরিকল্পনার অভাবে রাবারড্যামের সুফল বঞ্চিত কৃষকরা

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর নলকুড়ায় রাবারড্যাম নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হযেছে। কিন্তু সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অভাবে রাবার ড্যামের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষকরা। সেচ সুবিধার অভাবে অনাবাদি জমি আবাদ করতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা। মহারশি নদীর নলকুড়ায় একটি রাবারড্যাম নির্মাণের অভাবে প্রতিবছর বোরো মৌসুমে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি হয়ে পড়ে থাকে। এ উপজেলার কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার এ রাবারড্যামটির নির্মাণ কাজ হাতে নেয়। জানা গেছে, জাইকা’র ৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি’র ত্তত্বাবধানে এ রাবারড্যামটি নির্মাণ করা হয়। ফরিদপুরের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফিয়া কন্সট্রাকশনের স্বত্ত্বাধীকারী ইমতিয়াজ হোসেন রুবেল ড্যাম নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করেন। চলতি বোরো মৌসুমের পূর্বেই রাবারড্যাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও মহারশি নদীর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কর্মকর্তাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অভাবে এ বছর রাবারড্যামের পানিতে বোরো আবাদ করতে পারেনি অনেক কৃষক। কৃষকদের অভিযোগ রাবারড্যাম নির্মাণ করা হলেও নির্মাণ করা হয়নি ড্রেন। ফলে রাবারড্যামের আওতায় কৃষি জমিতে সেচ দিতে না পেরে শতশত কৃষকের জমি অনাবাদি রয়েছে। কৃষকরা জানায়, সংশ্লিষ্ট দপ্তর রাবারড্যাম নির্মাণের পূর্বেই পরিকল্পনা করে পানি প্রবাহের জন্যে ড্রেন নির্মাণ করা হলে এ বছর বোরো আবাদ ব্যাহত হতো না। উপজেলা কৃষি সম্প্রষারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোঃ কোরবান আলী বলেন, চলতি মৌসুমে রাবারড্যামের পানি সেচ কাজে ব্যবহার করে প্রায় ১ হাজার হেক্টর অনাবাদি জমি চাষাবাদের আওতায় এসেছে। শেরপুরের এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী বলেন, অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ড্রেন নির্মাণ সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তীতে ড্রেন নির্মাণ করা হলে এ পরিধি আরো বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার হেক্টর অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আসবে। ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।