| |

ঈশ্বরগঞ্জে ইউপি চেয়াম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন পরিবারের বিরুদ্ধে খুৎসা রটনার অভিযোগ

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল হালিম ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযোগ করেছেন। এই কাজে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাকুয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ড আ’ লীগের সভাপতি মদন মোহন গোস্বামী, মুক্তিয্ােদ্ধা এমএ মনসুর, মো. আবদুল জব্বার, মো. আবদুছ ছাত্তার, সাকুয়া গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন সহ বিভিন্ন পেশার প্রায় শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল হালিম বলেন, ১৯৯২ সালে তারুন্দিয়া ইউনিয়ন থেকে প্রথমবারের মতো তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পর পর একাধারে ১৯৯৭ ও ২০০৩ সাল প্রর্যন্ত তিন বার চেয়াম্যান পদে নির্বাচিত হন। এর আগে তাঁর পিতা নজরুল হক দু’ বার একাধারে ১০ বছর চেয়াম্যান ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি নির্বাচনে মাত্র ২১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। রাজনৈতিক ভাবে তিনি আ. লীগের সাথে জড়িত। তাই বিগত সময়ের মতো এবারও তিনি দলের সমর্থন ও মনোনয়ন চেয়েছেন। আবদুল হালিম আরও বলেন, একটানা ১৯ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার সময় সাধ্যমতো উন্নয়ন কর্মকা- করেছেন। স্থানীয় সাকুয়া বাজার উন্নয়ন করার সময় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি উদ্ধার করে প্রশাসন। জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় একটি প্রভাবশালী মহল। ওই মহলটি নির্বাচনের আগমুহুর্তে তাঁর ও তাঁর পরিবারের চরিত্রহননের কাজে লিপ্ত হয়েছে। আর এ কাজে তারা মহান মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করছে। বলা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁদের পরিবারটি রাজাকার ছিল। শুধু তাই নয় এসব মিথ্যা তথ্য পত্রিকায় প্রকাশ করে এর ফটোকপি এলাকায় বিলি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পায়তারা চালাছে। কারা এসব করছে-এ প্রশ্নের উত্তরে সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম বলেন, এই সংকটময় মূহুর্তে তিনি কারও নাম উল্লেখ করতে চান না। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে ভবিষ্যতে তা সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করবেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার জন প্রিয়তাকে নষ্ট করতে ওই মহলটি নানান অপ কৌশলে তাঁকে সামাজিক ভাবে হেয় করে এ অপ চেষ্টা ছালিয়ে যাচ্ছে।