| |

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল দুর্নীতির আখড়া

নজরুল ইসলাম খায়রুল: কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম, দুর্নীতির মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে এসবের পিছনে কলকাটি নাড়ছেন খোদ সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান খান ও তার অনুগত মেডিকেল সার্টিফিকেট বাণিজ্যের মূল হোতা কয়েকজন চিকিৎসক। তাই প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে হাৃসপাতালের অপরাধ প্রবণতা। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের হয়রানি। ভোক্তভোগী মানুষের মুখে মুখে এখন সিভিল সার্জন মুখলেছুর রহমান খানের কথা। জেলা শহরে তার বাড়ী। জেলার চিহ্নিত অপরাধীরাও তার নিকট আত্মীয় ও কাছের স্বজন। তাই হাসপাতালের অপরাধের লাগাম টানতে পারছে না সে। অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক পৌর মেয়রের ভাগ্নে ও বর্তমান স্বাস্থ্য বিভাগের ডিডি’র ঘনিষ্টজন হওয়ায় অযোগ্য হয়েও সিভিল সার্জনের পদটি ধরে রেখেছে। জানা গেছে রাজনৈতিক বিবেচনায় ও তদ্বীরের কারছে সে টিকে আছে জেলার স্বাস্থ্য সেবার মত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান পদটিতে। এ কারণে সম্প্রতি সরকারি নিয়মনীতি লংঘন করে হাসপাতালে ২৯টি পদে নিয়োগ বাণিজ্য থেকে তার পকেটে পড়েছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। অবৈধ টাকাকে জায়েজ করতে অপরাধী ও হাসপাতাল কেন্দ্রীক দালালদের আশ্রয় পশ্রয় দেয়া সিভিল সার্জনের অফিস ও হাসপাতাল অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলোর অভিযোগ, ডাঃ মুখলেছুর রহমান বিসিএস ছাড়াই বর্তমান সরকারের ক্ষমতার দাপটে সিভিল সার্জনের পদটি গ্রহন করেছেন। নিকট আত্মীয় ডিডি’র ক্ষমতা বলে নিজ জেলায় দায়িত্ব পালন করছে ও তার ঘনিষ্ট আত্মীকে হাসপাতালের খাবার বিতরণের ঠিকাদারী ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট করে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের দেয়া বাজেটের অর্ধেক টাকা। গত ২৮ মার্চ হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে সনাক কর্তৃক আয়োজিত হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের সাথে মাল্টিস্টোকহোল্ডার সভায় উক্ত হাসপাতালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটি অকার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় পরও অদৃশ্য শক্তির কারণে তিনি বহাল তবিয়তে আছেন।