| |

বর্তমান সরকার আদিবাসীদের সংস্কৃতি বিকাশে সচেষ্ট

মোঃ মোহন মিয়া : বর্তমান সরকার আদিবাসীদের সংস্কৃতি চর্চা, আদিবাসী ভাষার বর্ণমালা ও সংস্কৃতি লালন-পালনে আন্তরিক ও সচেষ্ট। বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পরা আদিবাসী যুবকদের লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের সংস্কৃতি বিকাশে সরকার সহযোগিতা করে যাচ্ছে এমনকি আদিবাসী কোটায় চাকুরী-বাকরীর সুযোগ রয়েছে। বর্তমান জনবান্ধব সরকার আদিবাসীদের মানোন্নয়নে ও সংস্কৃতি বিকাশে সচেষ্ট। বুধবার বিকেলে নেত্রকোণার আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা দুর্গাপুর-বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমী মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন শুধু জিপিএ-৫ পেলেই চলবে না, চারুকলা এবং সংস্কৃতিচর্চা অপরিহার্য। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী মমতাজ বেগমসহ ঐসমস্ত গুণী শিল্পীদের উদাহরণ টেনে বলেন, নিজেকে বিকশিত করতে জিপিএ-৫ মুখ্য নয়। আসুন আমরা সবাই মিলে আলোকিত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ি। বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমী কার্যনির্বাহী কমিটি ও স্থানীয় গন্যমান্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় ভাষন দিচ্ছিলেন মন্ত্রী। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মোঃ মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মি. উত্তম কুমার রিছিল, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম ফকরুল ইসলাম ফিরোজ, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ এমদাদুল হক খান, হাজং নেতা খগেন্দ্র হাজং, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, জেম্মন জরনেস চিরান। এর আগে মন্ত্রী দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকা বিজয়পুর ক্যাম্প হ্যালিপেডে অবতরণ করে রানীখং মিশনে আসেন। এসময় আদিবাসীরা তাঁকে বরণ করে নেন। পরে সোমেশ্বরী নদী পাড় হয়ে ফারংপাড়া বটতলায় আসেন। পরিশেষে আদিবাসী বিভিন্ন সংগঠন গারো-হাজংদের মনোজ্ঞ সংস্কৃতি অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।