| |

ধর্ষণ-শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ফেলে রাখা তরুণীর লাশ তারাকান্দায় উদ্ধার

গৌরীপুর ও ফুলপুর প্রতিনিধি ঃ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকা-ের রহস্যের জট খোলতে যখন লাশ নিয়ে টানাটানি চলছে ঠিক তখনি আরেক ষোড়শী’র লাশের সন্ধান মিলেছে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায়। রক্তেমাখা গোলাপী রঙের সালোয়ারে প্রমাণ মিলেছে ধর্ষণের। গলায় একই রঙের ওড়না প্যাছিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে শ্যামলা-কালো রঙের এই তরুণীর মিলছে না পরিচয়।
রাস্তার পাশে কাঁঠালগাছ তলায় বসে আছে ষোড়শী এক কন্যা। বয়স ১৫/১৬বছর। থমকে দাঁড়ায় মহাসড়কের পথচারীরা। সেই কাঁঠালতলাটি হলো ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ১নং তারাকান্দা ইউনিয়নের পিঠাসূতা গ্রাম। বকশীমুল-বালিখা পাকা সড়কের পাশে আব্দুর রহমান বেপারীর রোপিত বোরো ধান ক্ষেতের পাশে কাঁঠাল গাছের নীতে ষোড়শী কন্যার গলায় ওড়না প্যাছানো লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কাঁঠাল গাছের নিচে হাঁটুভাঙ্গা ভঙ্গিমায় দেখলে মনে হয় ওই তরুণী বসে আছে। পুলিশ জানায়, কিশোরীর গলায় গোলাপী রংয়ের ওড়না দিয়া বাম পাশে গিট দেওয়া অবস্থায় এবং গায়ে লাল রংয়ের সাদা বল প্রিন্টের সুতি ফুলহাতা শর্ট কামিজ ও গোলাপী রংয়ের সালোয়ার পরিহিত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহালে উল্লেখ রয়েছে তরুণীর জরায়ু রক্তাক্ত এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ফুলা ও মলদ্বারেও রক্ত দৃশ্যমান। গৌরীপুর সার্কেলের এএসপি আক্তারুজ্জামান পিপিএম জানান, ধারণা করা হচ্ছে অজ্ঞাতনামা কোন দুষ্কৃতিকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক কিশোরীকে ধর্ষনের পরে ওড়না দ্বারা ফাঁস লাগাইয়া নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যেই এখানে ফেলে রেখে গেছে। তারাকান্দা থানার এসআই মো. জালাল উদ্দিন, মো. মোজাহিদুর রহমান ও মো. সানোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তারাকান্দা থানার এসআই মো. জালাল উদ্দিন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি জানান এ রির্পোট পাঠানো পর্যন্ত (শুক্রবার বিকাল ৪টা) উদ্ধারকৃত তরুণীর লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি।