| |

শেরপুর জেলায় ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

মুহাম্মদ হযরত আলী: শেরপুর জেলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ ইরি-বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, জেলায় এবছর ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ মাত্রা ধরা হয়েছিল ৮৯ হাজার ৫শত ৯৮ হেক্টর জমি। তা পুরোটাই অর্জিত হয়েছে। ফলন হিসেবে ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার ৪শ ৫৪ মেট্রিকটন ধান উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চাল হিসেবে এর পরিমাণ হবে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরীফ ইকবাল জানান, ২১ হাজার ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে উপজেলায় রেকড পরিমাণ ফলন হয়েছে। বর্তমানে বাজার মূল্য ৫শ টাকা মণে বিক্রি করা হচ্ছে। বোরো ধানের উৎপাদন ব্যয় প্রতিমণে ৫শ টাকার বেশি বলে কৃষকরা জানিয়েছেন, ফলে ধানের মূল্য মণ প্রতি ৮শ টাকা করার দাবী কৃষকদের। নকলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির জানান, নকলা উপজেলায় ১৩ হাজার ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে মাঠের অবস্থা খুবই ভালো। এবছর খরা, বৃষ্টি, শিলা ঝড় ও পোকামাকড় থেকে এখনো বোরোর আবাদ মুক্ত আছে। কাজেই লক্ষ মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ধান উৎপাদিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। শেরপুর কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, শেরপুর জেলায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক চাল চাহিদা রয়েছে কিন্তু এ জেলায় চাহিদার তুলনায় তিনগুণ বেশি চাল উৎপাদিত হবে। এতে দেশের আরও ১০ টি জেলার খাদ্য চাহিদা মিটানো সম্ভব হবে। ধান কাটা মাড়াইয়ের মৌসুম চলছে। কৃষকরা বলছেন, আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় ও ঠিকমত সার ব্যবহার এবং যতœ নেওয়ায় ফলন বেশি হলেও ধানের কম থাকায় অনেক কৃষকদের মাথায় হাত।