| |

ঝিনাইগাতীতে নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা একে এম জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে। এ অভিযোগ নির্বাচনে অংশ গ্রহনকারী প্রার্থীদের। জানা যায়, চতুর্থ ধাপে আগামী ৭মে এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনারের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৭এপ্রিল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের ছিল শেষ দিন। এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়ন থেকে ৩৫জন চেয়ারম্যান, ৮৮ জন সংরক্ষিত সদস্য ও ২৪৭ জন সাধারণ সদস্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ১০ ও ১১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের ছিল শেষ দিন। অভিযোগে প্রকাশ , মনোনয়নপত্র বাছাই কালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা একে এম জালাল উদ্দিন প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্রে ত্রুটি আছে মর্মে তা বাতিলের হুমকি দিয়ে তার অফিস পিয়ন ছানা মিয়ার মাধ্যমে নানা অজুহাত দেখিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করেন। এতে প্রায় কয়েক লাখ টাক হাতিয়ে নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ভূক্ত-ভোগী জানায়, মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়ার ভয়ে প্রার্থীরা নির্বাচন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন। সদর ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী জুলেখা বেগমের মনোনয়নপত্র বাতিলের হুমকি দিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা ও পিয়ন ছানা মিয়া তাকে অফিসে আটকিয়ে অসদাচরন করেন এবং ২০হাজার টাকা ঘুষ নেন। এ ব্যাপারে জুলেখা বেগম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বিচার চেয়ে ১৪এপ্রিল বৃহস্পতিবার ১টি লিখিত আবেদন করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রার্থীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে ঘুষ নেওয়ার ঘটনা তিনিও শুনেছেন বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সেলিম রেজার সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগ পত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মুখলেছুর রহমান বলেন, জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা প্রমান হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ঘটনা অস্বীকার করেন।