| |

দুর্গাপুরে পরীক্ষা ছাড়াই মাংশ বিক্রি হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য।

মোঃ মোহন মিয়া : নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সব কয়টি হাট-বাজারে সরকারি বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে গবাদি পশু জবাই ও পরীক্ষা ছাড়াই যেখানে সেখানে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংশ অবাদে বিক্রি হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এমনকি রোগাক্রান্ত গরু, গাভী, ছাগল, মহিষ জবাই করে মাংশ বিক্রি হয়ে থাকে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানাগেছে। বিশেষ করে ঝানজাইল বাজার, কুমুদগঞ বাজার, শিবগঞ্জ বাজার, কামারখালী বাজার, উপজেলা মৎস্য খামারের বিপরীতে রাস্তার উপর নোংরা পরিবেশে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি হচ্ছে। এগুলি দেখার যেন কেউ নেই। অথচ সরকারি বিধান হচ্ছে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন পশু জবাই করতে হলে সেটি জবাইয়ের পূর্বে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত এবং মাংস স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা একজন পশু ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করে অনুমোদিত কসাইখানা দিয়ে মাংশের উপরে সীল মেরে বিক্রি করার অনুমতি প্রদান করতে হবে। এমনটির কোন বালাই নেই হাট-বাজার গুলি পরিদর্শন করে দেখা গেছে। এ সমস্ত মাংস বিক্রিকারীদের কোন লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। তাছাড়া চাষাবাদযোগ্য বলদ, দুধের গাভী জবাই করার বাধা থাকলেও এ নির্দেশটি উপেক্ষিত হচ্ছে এবং জবাইকৃত পশুর বজ্র যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন দূষিত হচ্ছে পরিবেশ অপরদিকে হুমকির মুখে পরছে জনস্বাস্থ্য। এ সুযোগে এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মাংশ বিক্রয়কারীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা হিসেবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ দূষন থেকে মুক্ত করতে হলে গণসচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারী জরুরী হয়ে পরেছে বলে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন সচেতন জনগণ। অপরদিকে পাশ্ববর্তী নাজিরপুর বাজার, লেঙ্গুরা বাজার, চারুয়াপাড়া বাজার, হুগলা এবং ঘোষগাঁও বাজারগুলিতেও এমনি চিত্র পাওয়া গেছে। অনেক মাংস বিক্রয়কারীরা এই প্রতিবেদককে জানান ‘স্বাস্থ্য সনদ কি’ তারা জানেনা। মাংশ বিক্রয়কারীদের লাইসেন্স করতে হবে এটাও তাদেরকে কেউ বলেনি। এ সুযোগে সরকারী লোক এসে সরকারি পরিচয় দিয়ে কিছু মাংস অপরদিকে কিছু অর্থ নিয়ে চলে যায় বলে জানান।