| |

কেন্দুয়ায় নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৫০ এক বিজয়ী মেম্বার আটক

মোঃ মহিউদ্দিন সরকার ঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় নির্বাচন পরবর্তী কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী, শিশুসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এ সমস্ত ঘটনায় এক বিজয়ী মেম্বারসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়াও ১৩টি ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে উত্তেজনা রয়েছে। বড় ধরনের সহিংসতার আশংকা করেছে অনেকেই। সরজমিনে হাসপাতাল, বিভিন্ন সূত্র ও পুলিশের মাধ্যমে জানা গেছে, ২৩ এপ্রিল তৃতীয় ধাপের নির্বাচনের পরদিন ২৪এপ্রিল রোববার সকালে দুপুরে ও বিকালে সান্দিকোনা এবং মাস্কা ইউনিয়নের হরিনগর, বাঘবেড়, সাতাশি, মরিচপুর ও পিজাহাতী গ্রামে নির্বাচনোত্তর সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
জানাগেছে, রোববার দুপুরে সান্দিকোনা ইউনিয়নের হরিনগর বাঘবেড় গ্রামে বিজয়ী মেম্বার শহীদ মিয়ার লোকজন ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ২০জনের মত লোক আহত হয়। এদের মধ্যে মারাত্মক আহত হরিনগর গ্রামের আহম্মদ আলীর পুত্র তোফায়েল (১৭), বাঘবেড় গ্রামের পিতামৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র মজিবুর (৪০) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় বিজয়ী মেম্বার শাহীন মিয়া ও শফিউর রহমান নামে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। অপর দিকে রোববার বিকালে মাস্কা ইউনিয়নের পিজাহাতী গ্রামের পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আঃ ওয়াদুদের লোকজন ও বিজয়ী মেম্বার ফরিদ বাঙ্গালীর লোকজনের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের ২০/২২জনের মত লোক আহত হয়। মারাত্মক আহত শফিক বাঙ্গালী (৩৫), উজ্জল মিয়া (২৫), নূরে আলম (১৪) এবং অজুফা বেগম (৩২) কে মূমুর্ষ অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে রায়পুর গ্রামের মল্লিক মিয়ার পুত্র রুবেল ও একই গ্রামের একরাম হোসেনের পুত্র রফিকুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। অন্যদিকে সাতাশি গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনায় হক মিয়া (২০) কে ময়মনসিংহ এবং মরিচপুর গ্রামের সংঘর্ষে আহত নূর মুহাম্মদ ও সিরাজ মিয়ার স্ত্রী হনুফা (৪৫) কে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও ডাউকী গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে নির্বানোত্তর সংঘর্ষের আশংকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।