| |

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৪

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারে পাসের হার ৫৮ দশমিক চার শতাংশ। গতকাল রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, এবার মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে মোট ৮২ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ হাজার ৪৪৮ জন পাস করেছেন। উত্তীর্ণদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর ৯৪ দশমিক ৭৫ আর সর্বনিম্ন নম্বর ৭৭ দশমিক ৪০।
সরকারি মেডিকেল কলেজে আসনসংখ্যা তিন হাজার ১৬২ টি, সরকারি ডেন্টালে ৫৩২ টি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় হাজার ও বেসরকারি ডেন্টালে এক হাজার ৩৫৫ টি।
এদিকে, আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশের আগে থেকেই পরীক্ষার্থীরা টেলিটক মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল পাচ্ছেন। ওই বার্তাতেই কে কোন্ মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন তাও জানানো হচ্ছে।
গতকাল রোববার সকাল থেকে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল পাঠানো শুরু হয়েছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জানানো হয়, আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ না হলেও, পরীক্ষার্থীদের টেলিটক মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁদের ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে। ওই এসএমএসেই কে কোন্ মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন তাও জানানো হচ্ছে।
এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজও কর্মসূচি পালন করছেন মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত, প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি ও পুনঃপরীক্ষা নেওয়া।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তা মিলে গেছে।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (শিক্ষা) এ বি এম আবদুল হান্নান বলেছেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলা যুক্তিযুক্ত নয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে।
এবার এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে ৮৭ হাজার ৭৮৪ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। যোগ্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ১১ হাজার ৯৯ জন দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে চিকিৎসা শাস্ত্রে লেখাপড়ার সুযোগ পাবেন।
গত শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ২৩টি কেন্দ্রে এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।