| |

তের বছর পর বকশীগঞ্জে ভূমি অধিপ্তরের পরিচালক আনোয়ার হোসেন

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি : দীর্ঘ তের বছর পর জামালপুরের বকশীগঞ্জে আসলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি রেকর্ড ও ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। এসময় তার সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় বকশীগঞ্জে পৌঁছার পর তের বছর আগের চেনা মুখ গুলো দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সরকারের উচ্চ পদস্থ এ কর্মকর্তা।
এর আগে তিনি ভারতের আসাম প্রদেশের ভূমি রেকর্ড ও ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক শ্রী বরুন ভূইয়ার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী রৌমারী উপজেলার মাইনকারচর সীমানা পিলার স্থাপন পরিদর্শন করেন। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বে দেন। সীমান্ত পরিদর্শন শেষে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে পৌঁছলে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুব্রত পাল ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।
দু’দেশের প্রতিনিধি দলই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটান । ভূমি অধিপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আনোয়ার হোসেন ইউএনও অফিসে বসেই তের বছর আগে ইউএনও থাকাকালীন সময়ের কিছু ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন। অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এসময় পরিচিত মুখ গুলো দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ওই সময়ের ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নেন।
বকশীগঞ্জ ইউএনও সুব্রত পাল স্বল্প সময়ের মধ্যে ভারতের প্রতিনিধি দলকে বলেন, বিভিন্ন সময় ভারত থেকে নেমে আসা বন্যহাতির পাল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে ফসলাদি বিনষ্ট সহ মানুষ মেরে ফেলে। দু’দেশের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এসময় ভারত-বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তা ছাড়াও বকশীগঞ্জ ইউএনও সুব্রত পাল, সিনিয়র সহকারী সচিব মুর্শিদা শারমিন, সহকারী জরিপ কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন, এসিল্যান্ড মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান, ওসি আসলাম হোসেন, অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন খান, অধ্যক্ষ ছামিউল হক আনছারী, সাবেক প্রধান শিক্ষক ছামিউল হক তোতা, সাংবাদিক জিএম সাফিনুর ইসলাম মেজর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত আজকের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার হোসেন বকশীগঞ্জ ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।