| |

ঈশ্বরগঞ্জে রেলওয়ের সম্পত্তি দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের হিড়িক

আবুল কালাম আজাদ : ময়মনসিংহ ভৈরব রেলপথে ঈশ্বরগঞ্জ রেল ষ্টেশন চত্তরে রেলের মূল্যবান জমি দখল করে রাতারাতি নির্মাণ করা হচ্ছে অবৈধ ভাবে ঘর বাড়ি। স্থানীয় প্রভাব শালীরা রেলের জমি লিজ নেয়ার নাম করে সাধারণ ক্ষুদ্র আয়ের লোকদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে প্লট আকারে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে । সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় রেলের জমিতে অব্যহত রয়েছে অপরিকল্পিত ভাবে স্থাপনা নির্মাণ । ষ্টেশনের প্লাট ফর্মের সাথে পরিতথ্য জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা আধা পাকা টিন সেড ঘরবাড়ি। এ ব্যাপারে নির্বিকার রেল প্রশাসন। পৌর এলাকায় বাড়ি নির্মান করতে হলে পৌর কর্তৃপক্ষের নকশা অনুমোদন বিধি রয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা তা না মেনে অপরিকল্পতভাবে বাড়ি ঘড় স্থাপনা নির্মাণ করছে। এ নির্মাণ কাজে রেল এর সমতল ভূমির মাটি কেটে ঘরের ভিট তৈরী করা হচ্ছে। প্রভাবশালীরা নির্মিত বাড়ি ঘরের জায়গা বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় রেলওয়ের ষ্টেশন মাষ্টার মুক্তিযোদ্ধা এস.এন ভট্টাচায্য ও ফকরউদ্দিন রেলের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের সত্যতা শিকার করে জানান বিষয়টি কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। রেলের জায়গায় শহিদুল সেলিম হীরালাল মঞ্জু মিয়া বুলুলাল মারফত আলী সিরাজুলের ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে। ষ্টেশন এলাকায় চরনিখলা গ্রামের হারেচ উদ্দিন নামে জনৈক এক ব্যাক্তি রেলের জমি লিজ নিয়ে এ সব ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে বলে স্থানীয় লোকদের অভিযোগ। এ সর্ম্পকে অভিযুক্ত হারেচ উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান ৯৯ বছরের জন্য রেলের কাছ থেকে ৭০ শতাংশ জমি তিনি লিজ নিয়েছেন। যে জমিতে ঘরবাড়ি হচ্ছে ওই জমিটি তার ভাই মাহবুবের। এ সম্পর্কে মাহবুবকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান জমিটি তার বড় ভাইয়ের ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর ওই জমি তার দখলে ছিল। রেলের জমিতে ঘর উঠানো সম্পর্কে তিনি কিছু জানেননি। এ বিষয়ে রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের ভূ-সম্পদ বিভাগের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাজী হাবিবুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান রেলওয়ের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার কোন নিয়ম নেই। তাছাড়া ওই জমি কারও নামে লিজ দেওয়া হয়নি। অবৈধ ঘরবাড়ি নির্মাণের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।