| |

ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজাকারপুত্রের ষড়যন্ত্রের ঘটনা ফাঁস

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজাকারপুত্রের ষড়যন্ত্রের ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়েছে। ওই রাজাকারপুত্র আমিরুজ্জামান লেবু স্থানীয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। গত ২৬ মে ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকায় ঝিনাইগাতীতে মহিলা আওয়ামী লীগের হ-য-ব-র-ল অবস্থা শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আয়শা সিদ্দিকা রুপালীকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলেন রাজাকারপুত্র আমিরুজ্জামান লেবু। তার পিতা মরহুম এসএম তমিজ উদ্দিন (আরফান) উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের মানবতা বিরোধী অপরাধ তালিকায় ৩৩ নংয়ে রয়েছে। ওই রাজাকারপুত্র আমিরুজ্জামান লেবু আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধারা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মহান বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস থেকে শুরু করে বিভিন্ন দিবসগুলোতে রাজাকারপুত্র আমিরুজ্জামানকে লেবুকে বাদ দিয়ে তা পালন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদের মুখে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। এসব বিষয়সহ রাজাকারপুত্র আমিরুজ্জামান লেবুর বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই আমিরুজ্জামান লেবু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আমিরুজ্জামান লেবু সাংবাদিকদের শায়েস্তা করার লক্ষ্যে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আয়শা সিদ্দিকা রুপালীকে লেলিয়ে দেয়। সে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে আমিরুজ্জামান লেবু আয়শা সিদ্দিকাকে দিয়ে গত ২৯ মে রোববার ময়মনসিংহ প্রতিদিন’এ সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করান। সাংবাদিক সম্মেলনে ময়মনসিংহ প্রতিদিন’এ প্রকাশিত সংবাদের বিষয়টি উল্লেখ না করে আমিরুজ্জামান লেবু আয়শা সিদ্দিকাকে দিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিনিধি’র বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটনা করান। এমন কি লিখিত লিফলেটটি উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করানো হয়। মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আয়শা সিদ্দিকা রুপালী জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আমিরুজ্জামান লেবু তার শক্রুতা সাধনের লক্ষ্যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আমাকে ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, আমি ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিনিধি’র বিরুদ্ধে কোন সংবাদ সম্মেলন করিনি। সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কে আমার কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় আমিরুজ্জামান লেবুর লিখিত লিফলেটটি আমি পাঠ করেছি। পরে আমি আমার ভুল বুঝতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত আবেদন জানিয়েছি।