| |

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা সমূহে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধির সাথে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স

ময়মনসিংহ ব্যুরো :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার গুলশানে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার পর কিশোরগঞ্জে শোলাকিয়ায় ঈদ জমায়াতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল। আইন শৃক্সক্ষলা বাহিনীর সাহসী ভূমিকার কারনে জঙ্গিরা সফল হতে পারেনি। ধর্মের নামে এরকম হামলা কাম্য নয়। ইসলামের নাম ব্যবহার করে জঙ্গিরা নামাজ না পড়ে মানুষ হত্যা করে। এরা ইসলাম ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী ভিডিও কনফারেন্সে সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা সমূহের প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধি অংশ নেন।
ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যতেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছে। দেশের এই উন্নয়ন ও অগ্রগতি অনেকের হিংসার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে তিনি সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, ধর্মান্ধ নয়। ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত ও মেধাবীরা কিভাবে ধর্মান্ধ হয়ে তা বোধগম্য নয়।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জি এম সালেহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার মুক্তিযোদ্ধা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষক, সাংবাদিক, মসজিদের খতিব, জনপ্রতিনিধি, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা বলেন, জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে জেলায় জেলায় সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী সমাবেশ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে সকল উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অঙ্গিকার করেন। এছাড়াও বিপদগামী তরুণ সমাজকে সচেতন করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।