| |

নান্দাইলে ১২ ইউনিয়নে এলজিএসপি প্রকল্প বাস্তাবায়নে ব্যাপক হরিলুট ॥ ইউএনও অফিসে তালিকা নেই

নান্দাইল প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় সদ্য সমাপ্ত ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে দ্বিতীয় লোকাল গর্ভন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-২) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম এবং দূর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রাণালয় থেকে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নিজস্ব একাউন্টে ১৫ থেকে ২০ লাখ পাঠানো হয়। উক্ত টাকা ইউনিয়ন পরিষদ নিজেরাই প্রকল্প গ্রহন ও ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ব্যয় করে থাকেন। ১২ ইউনিয়নে কোথাও গৃহিত প্রকল্পের তালিকা ইউপি ভবনে টাঙ্গানো হয়নি। এমনকি নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার/উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে গৃহিত প্রকল্পের কোন তালিকা নেই। উপজেলা প্রকৌশলী জানান তার দপ্তর থেকে শুধুমাত্র গৃহিত প্রকল্পের প্রাক্কলন করে দেওয়া হয়। কাজের তাদরকি করা তার কোন দায়িত্ব নেই। উপজেলা পর্যায়ে এই কাজ তদারক করার একটি কমিটি থাকলেও বাস্তবে কোন কার্যক্রম নেই। যার ফলে ইউপি সচিব সমন্বয়ে চেয়ারম্যানগণ প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে নিজেদের খেয়াল খুশী মত ব্যয় করে থাকেন। একই নামে বার বার প্রকল্প গ্রহন করা হয়। যেমন নলকূপ সরবরাহ, ল্যাট্রিন সরবরাহ, ইউ ড্রেন নির্মাণ, রিং কালভার্ট নির্মাণ ইত্যাদি ( শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালায় কুমিরের বাচ্চ পড়ানোর গল্পটি হয়তো অনেকই জানেন)। নান্দাইলের এলজিএসপি প্রকল্প এই গল্পের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। কথিত অডিট ফার্ম নান্দাইল ডাকবাংলোয় অডিট কাজ শেষ করে চলে যান। মাঝে মধ্যে ডিডিএলজিএসপি প্রকল্প তদন্ত করতে আসার সংবাদ পেলেও বাস্তবে এলজিএসপি প্রকল্পের দৃশ্যমান তেমন কোন কাজ দেখা যায়নি। বিষয়টির প্রতি যথাযথ উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সরজমিন তদন্তপূর্বক ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের গৃহিত প্রকল্পের যাছাই বাছাই করা প্রয়োজন।