| |

নালিতাবাড়ী কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার বেহাল অবস্থা। দেখার কেউ নেই।

আলমগীরঃ শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার কথিত ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুস সামাদ এর নানা দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মাদ্রাসাটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা গেছে মাদ্রাসার সুপার মাও: মোঃ নূরল ইসলাম কে চক্রান্তমূলকভাবে সাময়িক বহিষ্কার করে সহকারী সুপার আব্দুস সামাদ ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে মাদ্রাসাটি সরকারী নিয়ম-নীতি প্রতি তোয়াক্কা না করে তার ইচ্ছামাফিক মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছেন। কোন শিক্ষক/ কর্মচারী এর প্রতিবাদ করিলে তাকে চাকুরী থেকে বহিষ্কার করার ভয়-ভীতি দেখান। মাদ্রাসাটির বর্তমানে ছাত্র / ছাত্রীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। অথচ, ছাত্র/ছাত্রী দেখিয়ে সরকারী তহবিল থেকে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করছেন। মাদ্রাসাটিতে অফিস সহকারী থাকা সত্ত্বেও টাকার বিনিময়ে মোবারক হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে এমপিও ভুক্ত করান এবং সরকারী বেতনভাতা উত্তোলন করেন। অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত মোবারক হোসেনের এমপিও তে ব্যাংক হিসাব নং ও ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুস সামাদের ব্যাংক হিসাব নং এক রকম। আরো জানা যায়, মাদ্রাসাটিতে কৃষি শিক্ষক একজন থাকা নিয়ম থাকলেও ভারপ্রাপ্ত সুপার টাকার বিনিময়ে এবতেদায়ী জুনিয়র শিক্ষক ইয়াকুব আলীকে কৃষি শিক্ষক পদে এমপিও ভুক্ত করান। যাহা সরকারী আইনের পরীপন্থি। মাদ্রাসায় সরজমিনে গেলে ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্র/ছাত্রী মাদ্রাসায় দেখা যায়। এ ব্যাপারে অন্যান্য শিক্ষক / কর্মচারীকে ছাত্র / ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইলে কোনো সউত্তর দিতে পারিনি, মাদ্রাসায় শিক্ষক/কর্মচারীরা উপস্থিত থাকলেও ভারপ্রাপ্ত সুপারকে মাদ্রাসায় উপস্থিত পাওয়া যায়নি এবং অবৈধভাবে নিয়োগকৃত অফিস সহকারী মোবারক হোসেন কোনদিন অফিসে যাননি এবং কোনো শিক্ষক তাকে চিনেন না, কমিটির সিদ্ধান্ত ব্যতি রেখে নিজেই ভারপ্রাপ্ত সুপার দাবি করে মাদ্রাসার কার্যক্রমে শিক্ষক/কর্মচারীদের বেতনভাতা উত্তোলন করেন। অনেক শিক্ষক ও এলাকাবাসী জানান সুপার মাওলনা মোঃ নুরল ইসলামকে চক্রান্তভাবে বহিষ্কার করে গত ১৪ ইং সালের নভেম্বর মাস থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত বেতনভাতা বন্ধ রেখেছেন। আরো জানান টাকার অভাবে সুপারের এক ছেলে বিনা চিকিৎসায় গত ছয় মাস আগে মারা গেছেন, যা অত্যন্ত অমানবিক কাজ। সুপার নুরল ইসলাম অমানবিক কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ কর্তৃপক্ষের সরজমিনে তদন্ত করে ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে সুপার নুরল ইসলামকে তার নিজ দায়িত্ব প্রদান করে মাদ্রাসাটি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা অতি জরুরী বলে এলাবাবাসীর দাবী ।