| |

ছাত্র ফ্রন্টের আন্দোলনের ফল ঃ বাকৃবি’র বেগম রোকেয়া হল

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসন সংকট নিরসনে নতুন ছাত্রী হল নির্মাণের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছিল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। আন্দোলনের ফলে ২০০৮ সালে নির্মিত হয়েছিল একটি ছাত্রী হল। ওই ছাত্রী হলের নাম ‘রোকেয়া হল’ করার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে জনমত গড়ে তুললেও শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়নি প্রশাসন। পরবর্তীতে পুনরায় আবাসন সংকট দেখা দিলে নতুন হল নির্মাণ ও ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রচার মিছিল, স্বাক্ষর সংগ্রহ, স্বারকলিপি প্রদান, নারী জাগরণের পথিকৃৎ রোকেয়া’র কোটেশন প্রদর্শনী সহ নানা ধরণের কর্মসূচীর আয়োজন করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল স্তরের মানুষ এ দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন। যার ফলশ্র“তিতে নতুন একটি ছাত্রী হল নির্মিত হয় এবং ‘বেগম রোকেয়া হল’ নামকরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দীর্ঘ দিনের লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের এ আন্দোলন সফলতা লাভ করে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে এই আন্দোলনের সাথে ছিলেন তাদের সকলকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে অভিনন্দন। সেই সাথে বাকৃবিতে পূর্ণাঙ্গ রেলস্টেশন, ছাত্র বৃত্তি বৃদ্ধি সহ বাকি ৫ দফা দাবির চলমান আন্দোলনে সকলকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছে। গত ২৯ জুলাই সন্ধ্যায় সংগঠন কর্যালয় হতে একটি বিজয় মিছিল বের হয়। মিছিল শেষে কে আর মার্কেটের সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌতম করের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি রাফিকুজ্জামান ফরিদ এবং সহ সভাপতি জুনায়েদ হাসান। সমাবেশে বক্তারা বলেন রোকেয়া শুধু একটি নাম নয় সমাজ প্রগতির আন্দোলনের চেতনা এবং প্রেরণা। আজকের দিনে রোকেয়ার জীবন সংগ্রাম ছাত্রদের উন্নত চরিত্রসম্পন্ন মানুষ হয়ে উঠতে অনুপ্রানিত করবে। বক্তারা সুন্দরবন রক্ষায় রামপাল চুক্তি বাতিলের দাবিতে জাতীয় কমিটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশী হামলার তীব্র নিন্দা এবং ওই চুক্তি বাতিলের দাবি জানান। সংবাদ প্রেস বিজ্ঞপ্তি