| |

সরকারি ট্রাস্ট গঠনে ‘আমব্রেলা’ আইন হচ্ছে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : সরকারি খাতের ট্রাস্ট গঠনে নতুন একটি সমন্বিত আইন করতে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে নতুন এই আইন করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, দেশে যে ট্রাস্ট আইন আছে তা বেসরকারি ট্রাস্ট পরিচালনার জন্য। সরকারি খাতে ট্রাস্ট গঠনের জন্য কোনো আমব্রেলা আইন না থাকায় প্রত্যেক ট্রাস্টের আলাদা আইন করতে হয়।
এ কারণেই মন্ত্রিসভা সরকারি খাতের ট্রাস্ট গঠনের জন্য এই ‘আমব্রেলা ল’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এতে ভবিষ্যতে ট্রাস্ট গঠনের জন্য আলাদা আইন করার প্রয়োজন হবে না।”
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগকে মৌখিকভাবে নতুন আইন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া তৈরি করেছে। আজ মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত হিসাবে বিষয়টি চূড়ান্ত হল।
মন্ত্রিসভা এদিন বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ দেয়। বিজ্ঞানী বা তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের ফেলোশিপ দিতেই এ আইন করা হচ্ছে।
এছাড়া বিজ্ঞান গবেষণা উন্নয়নে মাস্টার্স, পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল গবেষকরাও এ আইনের মাধ্যমে সহায়তা পাবেন বলে মোশাররাফ জানান।
নতুন আইনের খসড়ায় ট্রাস্টের গঠন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, ব্যবস্থাপনা, ট্রাস্টি বোর্ডের গঠন, বোর্ডের কাজ, তহবিল সংরক্ষণ, বাজেট ও হিসাব নিরীক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও ফেলোশিপ ট্রাস্ট আইনের আওতায় সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারবে।”
১৩ সদস্যের এই ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের সচিব হবেন ট্রাস্টের সহসভাপতি।
সরকারের পক্ষ থেকে এই ট্রাস্টে অর্থের যোগান দেওয়া হবে। এর বাইরে ট্রাস্ট অন্য উৎস থেকেও অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।