| |

দুই মাসওে গ্রপ্তোর হয়নি র্ধষক মনিারুল

স্টাফ রপর্িোটার  : মাদ্রসা ছাত্রীকে জোরর্পূবক র্ধষণ করছেে এক বখাট।ে এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়রে করে ছাত্রীর নানা। মামলার পর আসামরি পক্ষ ময়েরে পরবিারকে কছিু টাকা নয়িে ঘটনাটি মটিয়িে ফলোর জন্যে চাপ ও হুমকি দচ্ছিে বলে অভযিোগ পাওয়া গছে।ে কন্তিু ছাত্রীটি র্ধষকরে দৃষ্টান্তমূলক বচিার ছাড়া আর কোনো কছিুই মানতে রাজী নয়।এ দকিে ঘটনার দুই মাস চলে গলেওে র্ধষক মনিারুলকে ধরতে পারনেি পুলশি।
ঘটনাটি ঘটছেে ময়মনসংিহরে নান্দাইল উপজলোর চ-ীপাশা ইউনয়িনরে নজিবানাইল গ্রাম।ে ছাত্রীর পরবিারকি সূত্র ও মামলার ববিরণে জানা যায়, ছাত্রী ও অভযিুক্ত র্ধষকরে বাড়ি প্রায় ১০০ গজরে ব্যবধান। ময়েটেি জানায়, তাঁর বাবা-মা র্কমসূত্রে চট্টগ্রামে বসবাস কর।ে আর সে তার নানার বাড়তিে থকেে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা পড়ালখো কর।ে গত ২৭ জুন সে প্রতবিশেীর বাড়ি থকেে র্চাজ দওেয়া নজিদেরে মুঠোফোন আনতে যায়। ওই সময় রোজাদাররা ইফতারে ব্যস্ত থাকায় যাতায়াতরে পথটি ছলি প্রায় জনশূন্য। ওই সময় হঠাৎ করে মো. হারুন ময়িার ছলেে মনিারুল ইসলাম এসে তার (ময়েটেরি) মুখে গামছাচাপা দয়িে রাস্তা থকেে পাঁজাকোলা করে তুলে জঙ্গলে নয়িে গয়িে র্ধষণ কর।ে পরে তার (ময়েটেরি) চৎিকার শুনে লোকজন ছুঁটে গলেে মনিারুল পালয়িে যায়। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে পড়ায় লজ্জায় ময়েটেি আর মাদ্রাসায় যায়ন।ি ময়েটেি আবগোপ্লুত হয়ে জানায়, লোকালয়ে বসবাস করওে ইজ্জত বাঁচাতে পারনি।ি ইজ্জতহানরি লজ্জায় এখন মাদ্রাসায় যতেে পারছি না। লখোপড়া বন্ধ হয়ে রয়ছে।ে এখন আমি কী করবো বলে দনি।
এলাকার লোকজন টাকার জোরে মনিারুলরে পরবিার সবকছিু তুচ্ছ মনে করছ।ে কছিু টাকা নয়িে ঘটনাটি মটিয়িে ফলেতে ময়েরে পরবিারকে চাপ ও হুমকি দওেয়া হচ্ছ।ে গত ২ জুলাই নান্দাইল মডলে থানায় মামলা দায়রেরে  হলওে পুলশি এখন র্পযন্ত মনিারুলকে ধরতে পারনে।ি