| |

গোপালপুরে সেনাসদস্যের নেতৃত্বে মারপিটের অভিযোগ

গোপালপুর প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সেনাসদস্যের নেতৃত্বে এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারপিট ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারাত্বক আহত ওই শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল শনিবার দুপুরে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। এঘটনায় আহতের বাবা ৮জনকে অভিযুক্ত করে গোপালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গোপালপুর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ও আহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের খরুরিয়া গ্রামের খন্দকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ও মেডিক্যাল এ্যসিটেন্ট পড়–য়া শিক্ষার্থী খন্দকার শাকিল আহাম্মেদ (২০) কে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর বাজার এলাকায় ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া কামদেববাড়ি গ্রামের ওয়াহেদ আলি ড্রাইভারের ছেলে ও সেনাবাহিনীর সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম (২২) এর নেতৃত্বে বেধড়ক মারপিট ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া হয়। মারাত্বক আহত শাকিলকে রাতেই উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে গতকাল শনিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।
এঘটনায় আহতের বাবা খন্দকার রফিকুল ইসলাম (৫৭) বাদি হয়ে মো. জাহিদুল ইসলাম ও তার দুই শ্যালক খামার শিমলা গ্রামের সুরুজ আলি ওরফে সূর্য্য মিয়ার ছেলে মিজান (২০) ও হাফিজুর (১৮), একই গ্রামের আনছের আলির ছেলে আরশেদ (৩৫), ইসমাইল হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫), শমসের আলি ছেলে রহিম বাদশা (৩৫), হযরত আলি ছেলে নুরু (৩০) ও নবা আলি ছেলে আবদুল জলিল (৪০) এবং অজ্ঞাত নামা আরো ৫/৬ জনের নেতৃত্বে শাকিলকে বেধড়ক মারপিট ও তার পকেটে থাকা ১২হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয় বলে গতকাল শনিবার দুপুরে গোপালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আহতের চাচা খন্দকার আবদুল আলিম অভিযোগ করেন, সেনাবাহিনীর সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম বেআইনি ভাবে শাকিলকে মারপিট করেছে। লোহার রডের আঘাতে তার মাথায় ব্যাপক ক্ষত তৈরি হয়েছে এবং শরীরের ডান অংশ নিস্তেজ হয়ে গেছে।