| |

ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন ; অতপর….

এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার জিগাতলা গ্রামে মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে শিক্ষক আবদুল হামিদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেছে শিক্ষিকা নুরজাহান। দুজনই উপজেলার গোবিন্দাসী কিন্ডার গার্টেন এর শিক্ষকতা করেন। পুলিশ বুধবার দুপুরে শিক্ষিকা নূরজাহানকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে রেখেছে।আবদুল হামিদ স্থানীয় জিগাতলা গ্রামের মহর ম-লের ছেলে ও শিক্ষিকা নূরজাহান ভালকুটিয়া গ্রামের শাহ আলীর মেয়ে।
এলাকাবাসি জানায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের জিগাতলা গ্রামের মহর মন্ডলের ছেলে আবদুল হামিদ ও ভালকুটিয়া গ্রামের শাহ আলীর মেয়ে নুরজাহান স্থানীয় গোবিন্দাসী কিন্ডার গার্টেনে শিক্ষকতা করতেন। একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষতার সুবাদে তাদের মধ্যে ভাবের আদান প্রদানের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে উঠে এক পর্যায়ে তা প্রেমের সর্ম্পকে রুপ নেয়।
বিদ্যালয় ছুটির দিন একে অপরকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতো তারা। কিছু পর প্রেমের সর্ম্পক দৈহিক সর্ম্পকে রুপ নেয়। মঙ্গলবার সকালে শিক্ষক আবদুল হামিদ ও শিক্ষিকা নুর জাহান একে অপরকে সঙ্গে নিয়ে গোপালপুর উপজেলার হেমনগরে বেড়াতে যায়। এসময় তারা স্থানীয় লোকজনের কাছে ধরা পড়ে। অর্থের বিনিময়ে ছাড়া পায় ওই স্থান থেকে। ওই দিন রাতেই বাবার বাড়ি থেকে প্রয়োজীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে শিক্ষক আবদুল হামিদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। বুধবার সকালে আশ-পাশের গ্রামের শত শত নারী পুরুষ শিক্ষিকা নুরজাহানকে দেখার জন্য ছুটে আসে শিক্ষক আবদুল হামিদের বাড়িতে। ঘটনার খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে ভূঞাপুর থানা পুলিশ নূরজাহানকে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিয়ে রাখে। এঘটনার পর থেকে শিক্ষক আবদুল হামিদ পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুল করিব বলেন, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।