| |

ত্রিশালে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মিথ্যা অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম শামীমঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে স্বামীর বিরুদ্ধে কর্মক্ষেত্রে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট স্ত্রীর মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায়,উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের অলহরী গ্রামের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে কর্মরত মোঃ ছাব্বির উদ্দিনের স্ত্রী রেবেকা পারভেজ শিখা তার স¦ামীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিবাহ করেছে এ মর্মে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেন।  অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পিএফ /১৮৬৯/২০১৬/০২ স্মারকে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর উক্ত বিষয়টি তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পত্র এক প্রেরণ করেন। উক্ত পত্রের প্রেক্ষিতে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন জুয়েল ১৩ জুন ২০১৬ তারিখে উক্ত অভিযোগটি মিথ্যা এ মর্মে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কতৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন প্রেরন করেন।
প্রতিবেদন টি পাঠানোর প্রায় আড়াই মাস পরে মঠবাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ মন্ডল অভিযোগটির প্রেক্ষিতে বিবাদীদের কোন প্রকার নোটিশ না করে বাদী পক্ষের অনুকূলে আরেকটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।  এব্যাপারে ছাব্বিরের বোন জামাই খলিলুর রহমান রোববার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে জানান, সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন জুয়েল অভিযোগটি মিথ্যা মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করলেও হটাৎ করে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ আমার কাছে গত ২০ আগষ্ট আমাকে  বলেন যদি আমাকে ৫ লাখ টাকা দাও তাহলে তোমার সমন্দীর স্ত্রীর অভিযোগটি মিথ্যা বলিয়া প্রতিবেদন দাখিল করিব। আর যদি টাকা না দাও তবে উল্টিয়ে প্রতিবেদন দিব। আমার প্রতিবেদনে ছাব্বিরের চাকুরী থাকবে না এবং তার সাজা হবে। আমি তার কথায় রাজি না হওয়ায় আক্রোশের বশবতি হয়ে তিনি এ প্রতিবেদন দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ৯ জন ইউপি সদস্য স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রে লিখিত ভাবে জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দছ মন্ডল এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে কোন প্রকার নোটিশ না করে এবং কোন স্বাক্ষী গ্রহন না করে, কোন প্রকার সভা ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে ও নির্বাচনী আক্রোশের জের ধরে বাদী পক্ষকে একটি মিথ্যা প্রতিবেদন প্রদান করেন। স্বাক্ষরকারী ৯ জন ইউপি সদস্য সরেজমিনে তদন্ত পুর্বক জানতে পারেন যে, বিবাদী ছাব্বির কোন দ্বিতীয় বিয়ে করে নাই।
এব্যাপারে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ জানান, আমি চৌকিদারের মাধ্যমে খবর পেয়েছি যে ছাব্বির দ্বিতীয় বিবাহ করেছে তবে আমার কাছে কাবিননামা নাই। আর ৫ লক্ষ টাকা চাওয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেন। অপর দিকে ৯ জন মেম্বার অবৈধ ভাবে সরকারি চাল/ গম বিক্রি করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে গিয়েছে।