| |

জামালপুরের বকসীগঞ্জ বুন্যে হাতির তান্ডবে এলাকবাসি অতিষ্ঠ

এসএম হালিম দুলাল ॥জামালপুরের ভারতীয় সীমান্তবর্তী উপজেলা বকশীগঞ্জের কামালপুর ইউনিয়নের যদুরচর গ্রামে হাতি আতংক বেড়েই চলছে। হাতির ভয়ে ঘরে থাকতে পারছে না যদুরচর গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ। বুন্যে হাতির ভয়ে নিজের বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে থাকতে হচ্ছে শীত মৌসুমে।
গত ক’দিন যাবত ভারত সীমানা পেরিয়ে  প্রতি রাতে আসছে বুন্যে হাতির দল । ফসলের ক্ষেত খেয়ে অবশেষে হানা দিচ্ছে বসবাস গৃহে।
সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জ কামালপুর ইউনিয়নের যদুরচর গ্রামের বাসিন্দারা অনেকেই হাতির ভয়ে আধাপাকা ধান কেটে নিতে বাধ্য হচ্ছে।
মাঠে ধান না পেলে হাতি গুলো ঘরে সংরক্ষিত ধানে হানা দিয়ে খেয়ে যায়। এসময় বাধা দিলে ঘটায় প্রাণহানি।
সিমেন্ট পাথর ও রড দিয়ে তৈরী ঘরের মজবুত খামও ভেঙ্গে ধ্বংসলীলার চিহ্ন রেখে যায় হাতির দল।
মানুষের সবচেয়ে নিত্য প্রায়োজনীয় পানির টিউবওয়ে উপড়ে ফেলে বুনো হাতির দল।উপজেলার সীমান্তবর্তী যদুরচর গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ীর চিত্র একই ধরনের চোখে পড়ে।
ওপারে মুক্তিযুদ্ধে ১১নং সেক্টর সদর দপ্তর ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জ।এপারে জামালপুর জেলার বকসিগঞ্জের কামালপুর। স্বাধীনতার যুদ্ধ ৪৬ বছর পেরুলেও মানুষের সাথে হাতির যুদ্ধ থামেনি। প্রতি বছর চলছে হাতি-মানুষের রনাঙ্গন।এ যুদ্ধ কঠিন যুদ্ধ,হাতির সাথে প্রতিহত করতে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু,অন্যথায় সম্বল হারিয়ে পরিবার নিয়ে থাকতে হয় অনাহারে অর্ধাহারে। হাতির সাথে মানুষের লড়াই যেন জীবন বাঁচানোর যুদ্ধ।
৭১এর রনাঙ্গনে পাকিস্থান বাহিনীকে পরাজিত করা গলেও হাতি বাহিনীর কাছে এলাকাবাসির করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত আত্মসমর্পন।
সুত্রে জানাযায়,স্বাধীনতার ৪৬বছরে হাতির যুদ্ধে প্রাণ দিতে হয়েছে প্রায় ৩শতাধক মানুষের। হাতির আক্রমনে ৫ শতাধীক ঘরবাড়ি,হাজারও গাছগাছরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ব্যপারে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, এখানে স্থানীয় প্রশাসনের করার কিছু নেই। তাই জীবন রক্ষার্থে নিরাপদ দুরত্বে বজায়ে রাখা ছাড়া কোন উপায় নেই বলে জানান ।