| |

গ্রেপ্তার জেএমবির ‘সামরিক শাখার প্রধান’ কথিত গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত

ডেস্ক নিউজঃ গ্রেপ্তার জেএমবির ‘সামরিক শাখার প্রধান’ মো. জাবেদ (২৬) বিস্ফোরক উদ্ধারের এক অভিযানের সময় ‘গ্রেনেড বিস্ফোরণে’ নিহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানায়, আটক করার পর ওই ব্যক্তিকে নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে কর্ণফুলী থানার খোয়াজনগরের লালমিয়া সড়ক এলাকায় গ্রেনেড উদ্ধার করতে গেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় খোয়াজনগর এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে জাবেদকে আটক করা হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় নয়টি গ্রেনেড, পিস্তল, ১২০টি গুলি, ১০টি ছুরি, বোমা তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম। পরে তাঁকে নিয়ে অভিযানে যায় ডিবি।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) মো. বাবুল আক্তার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আরেকটি গ্রেনেডের তথ্য দেন জাবেদ। সেটি উদ্ধার করতে তাঁকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় ডিবি। সড়কের পাশের নর্দমা থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধারের সময় তা বিস্ফোরিত হয়। এতে জাবেদ ও ডিবির দুই সদস্য আহত হন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। জাবেদকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা।
ডিবির আহত দুই সদস্য হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস হোসেন ও কনস্টেবল ফয়সল আহমেদ।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর নগরের সদরঘাট এলাকায় গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণে দুই ছিনতাইকারীসহ তিনজন নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি একে ২২ রাইফেল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জঙ্গিদের সন্ধান পায়। রোববার নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মো. মাহবুব ও মো. কাজল নামের দুজনকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকেলে নগরের অক্সিজেন এলাকা থেকে মো. সুজন ও মো. ফুয়াদকে আটক করা হয়। আটক চারজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খোয়াজনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেনেড, অস্ত্র, গুলিসহ জাবেদকে আটক করা হয়।
পুলিশ বলছে, জাবেদের বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এবং তিনি পেশায় একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। ২০১২ সাল থেকে তিনি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে যুক্ত।
খোয়াজনগরে তিন কক্ষের যে বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, গত ১ অক্টোবর সেটি তিনি ভাড়া নিয়েছিলেন পরিবার নিয়ে থাকার কথা বলে।