| |

কাদের সিদ্দিকী আসনের উপনির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আজ মধ্য রাতে শেষ হচ্ছে

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপ-নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আজ রোববার মধ্য রাতে শেষ হচ্ছে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী কোন শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় সরগরম হয়ে উঠেনি নির্বাচনী এলাকা। তবে নির্বাচনে অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শনিবার প্রচারণা চালালোও নির্বাচনী মাঠে কোন প্রভাব ফেলতে পারেননি। ভোটাররা এখন থেকেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে এমপি হিসেবে মেনে নিয়েছেন। কারণ তিনি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভোটাররা।
টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে ৩ জন প্রার্থী প্রতিন্দন্দ্বিতা করছেন। তারা হলোÑ  আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারি (নৌকা), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) প্রার্থী আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন) ও ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী ইমরুল কায়েস (আম)। টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ জন।
জেলা নির্বাচন অফিসার এবং টাঙ্গাইল-৪ আসনের (কালিহাতী) উপ-নির্বাচনের সহকারী রিটানিং অফিসার তাজুল ইসলাম বলেন, আজ রাত ১২ টায় প্রার্থীদের প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে। আচরণ বিধি অনুসরণ করে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা করেছেন। প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত আচরণবিধি লঙ্গনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আগামী ৩১ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো বলেন, রাত ১২টার পর থেকে কোন প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। যদি তারা আইন ভঙ্গ করে প্রচারণা চালায় তাহলে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে কথা হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারির সাথে। তিনি বলেন, আমি আচরণ বিধি অনুসরণ করে নির্বাচনের সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। রাত ১২ টার আগ পর্যন্ত আমি প্রচার-প্রচারণা চালাবো। আশা করছি আমি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে আমি জয় লাভ করলে আমি এলাকার ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করবো।
এ বিষয়ে কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় স্থানীয় ভোটার নান্নুর সাথে। তিনি বলেন, আমরা এখন থেকেই ধরে নিয়েছি আওয়ামী লীগ প্রার্থীই নির্বাচনে জয় লাভ করবেন। তিনি পরবতী সময়ের জন্য এমপি হচ্ছেন।  কারণ নির্বাচনে অন্য যে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথী আছেন তাদের মধ্যে একজন প্রচারণা করলেও আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে নির্বাচনে পরাজিত করতে পারবেন না। আর আরেকজন প্রার্থী নির্বাচনে কোন প্রচারণাই করেননি।