| |

ময়মনসিংহ জংশন স্টেশনে যাত্রী সাধারনের উপর রেলপুলিশের চাঁদা বাজি বন্ধ হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহে রেলযাত্রীদের উপর চাঁদাবাজি এখনো চলছে। কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না এই অপরাধ । যাত্রী সাধারনের নিরাপত্তা, সেবা ও সম্মানের তোয়াক্কা না করে নীরবে আটক বানিজ্য চালাচ্ছে বালাদেশ রেলওয়ের ময়মনসিংহ জংশন স্টেশনস্থ জিআরপি থানা পুলিশ। থানার এ এস আই খায়ের, কনস্টেবল জুলহাস, আমিনুল, ইউসুব, মোস্তফা, আনোয়ার, আয়েশা (মুন্সি) গংদের নিয়ে ওসি আবদুল মান্নান ফরাজী বিনাটিকিটে ভ্রমন ও ছাদে ভ্রমনের অজুহাতে প্রতিদিন অভিনব কৌশলে শ’শ যাত্রী আটকে জেল হাজতের ভয় দেখিয়ে ব্যাপক অংকের চাঁদাবাজি করছেন। সকাল ৯ টা হতে সকাল ১১ টার মধ্যে এই স্টেশন হয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি আন্তনগর ট্রেন থেকে দরিদ্র, অশিক্ষিত, শ্রমিকশ্রেণীর বহু যাত্রী আটক করে বেধে স্টেশন চত্বরস্থ রেল থানায় নিয়ে যায়। থানায় আটক রেখে প্রথমেই টিকিটধারী অধিকাংশের কাছ থেকে টিকিট ও মোবাইল সেট হাতিয়ে নিয়ে নেয়। পরে আটক সকলের কাছে মোটা অংক টাকা দাবী করে। যারা দর কসাকষি করে টাকা দিয়ে দেয় তাদের ছেড়ে দেয়। অনেকে স্বজনদের কাছে মোবাইল করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আনিয়ে দিয়ে ছাড়া পায়। স্টেশন গেইট এলাকার বিকাশ এজেন্টগন এর প্রমান দিতে পারবেন। জেলের ভয় দেখিয়ে অনেক যাত্রীদের কাছ থেকে ৩/৪ হাজার টাকা আদায় করে কর্তব্যরত টিসি ডেকে এনে ৪০/- টাকার ইএফটি ধরিয়ে দিয়ে বিদায় করে । আর অর্থ দিতে সামর্থহীন ৭/৮ জনকে কোর্ট হাজতে চালান দেন। বিশাল অংকের এই বানিজ্য নিত্যদিনের। অসহায় ভুক্তভোগী যাত্রীসাধারনের কাছ থেকে পুলিশের অভিনব বানিজ্যের এই বর্ননা পাওয়া গেছে। যাত্রী সাধারনের উপর এই ধরনের অশুভ কর্মকান্ড রেলকে উন্নয়নের ধাঁচে সাজানোর অন্তরায় বলেই জনসাধারন মনে করেন।