| |

ভালুকায় পেপে চাষে বদলে গেছে আনোয়ারের ভাগ্য

নিজস্ব সংবাদদাতা : ভালুকায় অন্যের জমি লিজ নিয়ে পেপের আবাদ করে ভাগ্য বদল করেছেন আনোয়ার হোসেন।
উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারগাড়া গ্রামে কথা হয় বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সাথে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে আনোয়ার হোসেন বছরে ২০ হাজার টাকায় দেড় একর পতিত জমি লিজ নিয়ে তাতে এক হাজার আটশত পেপের চারা রোপন করেন। চারা রোপনের পর থেকে তিনি নিজে ও স্ত্রী নাসিমা আক্তার ও স্কুল পড়–য়া ছেলে মিরাজ হোসেন ও মেয়ে শান্তাকে নিয়ে শুরু করেন গাছের পরিচর্যা। বাগান করার শুরু হতেই ওই ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল কাসেম নিয়মিত বাগান পরিদর্শন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন আনোয়ার হোসেনকে। চার মাস পর থেকেই গাছে পেপে আসতে শুরু করে। বর্তমানে বাগানের সব গুলি গাছেই পেপে ধরেছে। প্রতিটা গাছে এক থেকে দেড় মন পেপের ফলন হয়েছে । এ পর্যন্ত পেপের আবাদ করতে শ্রম ব্যাতিত জমির ভাড়া সহ পানি সেচ, সার, কীটনাশক বাবদ খরচ হয়েছে এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা। যার সব টুকুই ধার দেনা করে খরচ করতে হয়েছে। বাগানের প্রথম আসা পেপে এক লাখ নব্বই হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। পাইকাররা পেপে গুলি পর্যায়ক্রমে বাগান থেকে নিয়ে যাবেন। পরবর্তীতে আসা পেপে গুলো তিনি আবার বিক্রি করবেন। আনোয়ার হোসেন জানান বাগানে নিড়ানি, সময় মত পানি সেচ ও সকল রকম পরিচর্যায় সাহায্য করেছেন তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার। বর্তমানে ছেলে মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে অনেক কষ্টের পর হলেও তিনি সুখের নাগাল পেয়েছেন। যিনি বাগানের পেপে কিনেছেন সেই ফরিয়া উপজেলার পাড়াগাঁও গ্রামের আজাহার আলী জানান তিনি পেপে গুলি ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করবেন। একটা পাঁকা পেপে ৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। আনোয়ার হোসেন ওই জমিতে লাউ উৎপাদন করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। আর্থিক সাহায্য ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা পেলে তিনি একজন আদর্শ চাষীর স্থান লাভ করবেন।